/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/21/farha-2025-11-21-20-43-28.jpg)
যেভাবে দিলীপের জীবন পাল্টে দিন ফারহা...
ফারাহ খান যখন থেকে নিজের রাঁধুনি দিলীপকে নিয়ে ভ্লগ করা শুরু করেছেন, তখনই তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই তাঁদের ইউটিউব চ্যানেল পৌঁছে যায় প্রায় ২.৫ মিলিয়ন গ্রাহকে। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ফারাহ জানান, প্রথমদিকে তিনি একাই ভিডিও বানাতেন, কিন্তু বুঝতে পারেন যে খাবারের প্রস্তুতি, রান্নার প্রক্রিয়া এবং দর্শকদের সঙ্গে কথোপকথন, সবকিছু একসঙ্গে সামলানো কঠিন।
তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নেন দিলীপকে ভিডিওতে যুক্ত করার। আর সেটাই হয়ে ওঠে তাঁদের সাফল্যের টার্নিং পয়েন্ট। দ্বিতীয় ভ্লগ প্রকাশের পরই তাঁরা পেয়ে যান ইউটিউবের সিলভার বোতাম, অর্থাৎ ১ লক্ষ গ্রাহকের স্বীকৃতি।
Miss Universe 2025: মিস ইউনিভার্স মঞ্চে আবারও ভারত ব্যর্থ, ফিরে দেখা তিন বিজয়ীর গৌরব গাঁথা
সোহা আলি খানের সঙ্গে আড্ডায় ফারাহ বলেন, তাঁর পরবর্তী সিনেমা শুরু হতে এখনও সময় থাকায়, তিনি ভাবলেন ইউটিউবের জন্য স্বল্প কয়েকটি ভিডিও তৈরি করবেন। যেহেতু তাঁর খাবার-সংক্রান্ত রিল প্রায়ই ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল হয়, তাই খাবারকেন্দ্রিক কনটেন্টই বেছে নেন। তবে প্রথম ভিডিওর পরই বুঝতে পারেন- সহযোগী না থাকলে নিয়মিত ভ্লগ করা কঠিন। সেই কারণেই দিলীপকে সামনে নিয়ে আসা। ফারাহ বলেন, “আমি শুধু তাকে বলতাম, ‘তুমি এইটুকু বলে দাও’। আমি তাকে পাঞ্চলাইন দিতাম, আর সেখান থেকেই মজাটা জমে উঠত।”
ফারাহ স্বীকার করেছেন, ইউটিউব শুরু হওয়ার পর দিলীপের জীবন বদলে গেছে। আগেও তিনি ভালো বেতন পেতেন, তবে এখন তাঁর উপার্জন এবং সামাজিক অবস্থান দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। ফারাহ জানান, তিনি দিলীপের সন্তানদের ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ানোর দায়িত্ব নিয়েছেন, এমনকি তাঁর এক ছেলেকে রন্ধনশিল্পের ডিপ্লোমা কোর্সেও ভর্তি করিয়েছেন। দিলীপের প্রচুর ঋণ ছিল, যা চুকোতে তাঁদের পুরো এক বছর লেগেছে। ফারাহ বলেন, “তার সব ঋণ শোধ করে দিয়েছি। তাকে বলেছি- আর সুদের ঋণ নেবে না। এখন সে নিজের বাড়ি বানাচ্ছে। আমি কয়েকটি ব্র্যান্ডকে যুক্ত করার চেষ্টা করছি যাতে বাড়িটা কম খরচে বা সম্ভব হলে বিনামূল্যে সম্পূর্ণ হয়।”
Dipika Kakkar: ‘মনটা মানতে চায় না’, প্রতিদিন নতুন লড়াই, মানসিক চাপে দীপিকা!
ইউটিউব মাধ্যম ফারাহকে দিয়েছে পূর্ণ স্বাধীনতা। তাঁর কথায়, "এটা আমার চ্যানেল, তাই আমি যা চাই তাই করি।" কোনো ওটিটি বা প্রোডাকশন হাউস তাঁকে নির্দেশ দেয় না কারা আসবে, কী বাদ দিতে হবে। সেই স্বাধীনতাই তাঁকে নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করতে উৎসাহিত করে। তাঁর ভাষায়, ইউটিউব থেকে তিনি এখন এমন আয় করেন, যা অনেক সময় তাঁর সিনেমার আয়েরও বেশি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us