/indian-express-bangla/media/media_files/q1QjdHcc3nEmwbrcXnee.jpg)
এখন কেমন আছেন তিনি? Photograph: (ফাইল)
Govinda Health Update: বলিউড অভিনেতা গোবিন্দা, মঙ্গলবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের জুহুর ক্রিটিকেয়ার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। ৬১ বছর বয়সী এই তারকা বাড়িতে অচেতন হয়ে পড়ে যান। বিভ্রান্তি অনুভব করার পর হাসপাতালে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল আছেন এবং চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে গোবিন্দা জানান, “আমি এখন ভালো আছি। আমি অতিরিক্ত পরিশ্রম করছিলাম, হয়তো সেই কারণেই শরীর সঙ্গ দেয়নি। যোগ-ব্যায়াম এবং প্রাণায়াম ভালো, কিন্তু আমি একটু বেশি করে ফেলেছিলাম। আমি নিজেকে আরও উন্নত করার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু শরীরেরও সীমা আছে।”
তার স্ত্রী সুনীতা আহুজা, যিনি তখন শহরের বাইরে ছিলেন, স্বামীর খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ মুম্বইয়ে ফিরে আসেন। অভিনেতার ম্যানেজার শশী শিন্ডে জানান, “গোবিন্দার হালকা মাথা ঘোরায় এবং পরে মাথা ভার হয়ে যাওয়ায় আমরা তাঁকে নিউরোলজিস্টের কাছে নিয়ে যাই। এখন তিনি ভালো আছেন, বিশ্রাম নিচ্ছেন। চিন্তার কিছু নেই, কেবল সাবধানতা হিসেবে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।” তবে, বর্তমানে খবর হাসপাতাল থেকে তিনি ছাড়া পেয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং কয়েকদিন সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেওয়ার পরই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন।
গোবিন্দার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আইন উপদেষ্টা ললিত বিন্দাল বলেন, মঙ্গলবার বিকেল থেকেই তিনি দুর্বলতা ও দিশেহারা বোধ করছিলেন। রাত ৮:৩০টার দিকে ওষুধ খাওয়ার পর বিশ্রাম নিতে গেলে হঠাৎ আবার অস্বস্তি অনুভব করেন এবং প্রায় রাত ১২টার দিকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। “তিনি আমাকে ফোন করে ডাকেন, আমি পৌঁছে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। রাত ১টার দিকে তাঁকে ভর্তি করা হয়।"
Govinda Hospitalised: রাত ১টায় কেলেঙ্কারি! তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি হলেন গোবিন্দা
এদিকে, গোবিন্দার মেয়ে টিনা আহুজা, যিনি তখন চণ্ডীগড়ে কাজে ছিলেন, তিনিও বাবার পাশে থাকতে মুম্বইয়ে ফিরেছেন। সুনীতা ও টিনা দুজনেই বর্তমানে তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে গোবিন্দা ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে অসুস্থ প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এর ঠিক এক বছর আগে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে, তিনি নিজের লাইসেন্সযুক্ত রিভলভার থেকে দুর্ঘটনাবশত গুলি ছোঁড়ায় হাঁটুতে আঘাত পান এবং একই ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। তিন দিন পর তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us