/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/31/govinda-neelam-2026-01-31-19-23-39.jpeg)
যা বলেছিলেন নীলম...
নব্বইয়ের দশকে একের পর এক হিট ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছিলেন গোবিন্দা ও নীলম কোঠারি। ইলজাম, লাভ ৮৬, খুদগর্জ, ঘর কা চিরাগ- এই সব ছবিতে তাঁদের অন-স্ক্রিন রসায়ন এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যে খুব স্বাভাবিকভাবেই বাস্তব জীবনেও তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। যদিও সেই সময় গোবিন্দা একাধিক সাক্ষাৎকারে নীলমের প্রতি নিজের গভীর আকর্ষণের কথা স্বীকার করেছিলেন, তবু নীলম বরাবরই এই সম্পর্কের জল্পনাকে গুজব বলেই উড়িয়ে দিয়েছেন।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ঊষা কাকাড়ে প্রোডাকশনের সঙ্গে কথোপকথনে নীলম আবারও, সেই পুরনো গুঞ্জন প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। উপস্থাপক যখন তাঁকে গোবিন্দার সঙ্গে প্রেমের কথা জিজ্ঞেস করেন, তখন নীলম খানিক অবাক হয়ে বলেন, “হে তেরি! এটা কে বলেছে? গোবিন্দা জি খুবই ভালো মানুষ, কিন্তু এই প্রশ্নটা একেবারেই সত্য নয়।”
Sayak Chakraborty: 'মুসলমানকে শুয়োরের মাংস খাওয়ানো হলে?' সায়কের পাশে রুদ্র, রেগে কাঁই রাহুল
স্বামী সমীর সোনিকে বিয়ে করার আগের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট জানান, তাঁদের মধ্যে কখনও প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। দ্য ফ্যাবুলাস লাইভস অফ বলিউড ওয়াইভস তারকা বলেন, “আমরা একসঙ্গে বেশ কয়েকটা হিট ছবি করেছি, তাই মানুষ অনেক কিছু ভেবেছে। কিন্তু দুঃখিত, এটা মোটেও সত্য নয়। আমাদের মধ্যে কিছুই ছিল না।”
এর আগেও ২০২৪ সালে একটি সাক্ষাৎকারে নীলম এই প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে, সেই সময় লিঙ্ক-আপ গুজব ছিল ইন্ডাস্ট্রিরই একটা অংশ। তাঁর কথায়, “তখন পরিষ্কার করে বলার মতো কেউ ছিল না। প্রেস যা খুশি তাই লিখত। আমরা আসলে মিডিয়াকে ভয় পেতাম, কারণ কলমের শক্তি তখন খুব বড় বিষয় ছিল।” তিনি আরও যোগ করেন, “একসঙ্গে দু’-তিনটে ছবি করলেই ধরে নেওয়া হতো, নিশ্চয়ই কিছু চলছে।”
Sayak Chakraborty: রেস্তরাঁর ভুল না কি ধর্মীয় আঘাত? সায়ক চক্রবর্তীর ঘটনায় গ্রেপ্তার এক কর্মী
তবে এই সম্পর্কের গুঞ্জনে ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছিল গোবিন্দার মুখে। ১৯৯০ সালে স্টারডাস্ট ম্যাগাজিনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা অকপটে স্বীকার করেছিলেন নীলমের প্রতি তাঁর অনুভূতির কথা। তিনি বলেছিলেন, “আমরা একসঙ্গে অনেক সিনেমা করেছি। যত বেশি ওকে চিনেছি, ততই ওকে ভালো লেগেছে। নীলম এমন একজন নারী, যার কাছে যে কোনও পুরুষ হৃদয় হারাতে পারে। আমি আমারটা হারিয়েছিলাম।”
গোবিন্দা আরও জানান, সেই আকর্ষণ এতটাই গভীর ছিল, যে তিনি তখনকার বান্ধবী সুনীতা আহুজার সঙ্গে বাগদানও ভেঙে ফেলেছিলেন। অভিনেতার কথায়, “আমি সুনীতাকে বলেছিলাম আমাকে ছেড়ে চলে যেতে। আমি ওকে বিয়ে করতে চাইনি। যদি পাঁচ দিনের মধ্যে সুনীতা আমাকে ফোন না করত, তাহলে হয়তো আমি নীলমকেই বিয়ে করতাম।”
তবু শেষ পর্যন্ত বাস্তব জীবন ও সিনেমার পর্দার গল্প আলাদা পথেই হেঁটেছে। আজ এত বছর পর নীলমের স্পষ্ট বক্তব্য আবারও প্রমাণ করে দিল- নব্বইয়ের দশকের সেই আলোচিত প্রেমকাহিনি ছিল মূলত রুপোলি পর্দারই সৃষ্টি, বাস্তব জীবনের নয়।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us