Salman Khan: মায়ের কষ্টেই...মদ্যপান-ই ঘনিষ্ঠ করে সম্পর্ক! সেলিম–হেলেন সম্পর্ক ঘিরে বিতর্ক কীভাবে সামলান সলমন?

৬০ ও ৭০-এর দশকে তিনি বলিউডের ‘ক্যাবারে কুইন’ হিসেবে পরিচিত হন। কিন্তু নিজেকে শুধু নাচে সীমাবদ্ধ রাখেননি—বিভিন্ন ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রও করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭৮ সালের অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ডন...

৬০ ও ৭০-এর দশকে তিনি বলিউডের ‘ক্যাবারে কুইন’ হিসেবে পরিচিত হন। কিন্তু নিজেকে শুধু নাচে সীমাবদ্ধ রাখেননি—বিভিন্ন ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রও করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭৮ সালের অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ডন...

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
MixCollage-21-May-2024-08-51-AM-4425

জানুন সেই গল্প...

জাপানি আগ্রাসনের সময় মায়ানমার থেকে পালিয়ে ভারতে আসা- প্রবীণ তারকা হেলেনের শৈশব ছিল সংগ্রাম ও অভাবের গল্পে ঠাসা। তাঁর মা নার্স হিসেবে কাজ করতেন, কিন্তু তাতেও সংসার চলত না। তাই খুব অল্প বয়সেই হেলেনকে স্কুল ছাড়তে হয়। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে নৃত্যশিল্পী হিসেবে সিনেমায় কাজ শুরু করতে হয়। প্রথমদিকে তিনি কোরাস ডান্সার ছিলেন। পরে ১৯৫৮ সালের হাওড়া ব্রিজ–এ “মেরা নাম চিন চিন চু” গানটি তাঁর ভাগ্যই বদলে দেয়। গানটি তাঁকে রাতারাতি বলিউডে সংবেদনশীল করে তোলে।

Advertisment

৬০ ও ৭০-এর দশকে তিনি বলিউডের ‘ক্যাবারে কুইন’ হিসেবে পরিচিত হন। কিন্তু নিজেকে শুধু নাচে সীমাবদ্ধ রাখেননি—বিভিন্ন ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রও করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৭৮ সালের অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ডন, যেখানে তিনি কামিনীর ভূমিকায় নজর কাড়েন। এই ছবির মাধ্যমেই তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিচয় হয় সহ-লেখক সেলিম খানের সাথে। দুই বছর পর তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

তবে সেলিম–হেলেন প্রথম একসঙ্গে কাজ করেছিলেন ১৯৬৩ সালের কাবলি খান ছবিতে। সেসময় তাঁরা একসঙ্গে কাজ করলেও দু’জনের মধ্যে তেমন কোনো যোগাযোগ হয়নি। ডন–এর শুটিং চলাকালীনই তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব বাড়ে। প্রতিদিন শুটিং শেষে আড্ডা ও কথোপকথন ধীরে ধীরে তাঁদের সম্পর্ককে গভীর করে তোলে।

Advertisment

হেলেন স্বীকার করেছেন- সেলিমের বিবাহিত জীবন ও সন্তান থাকার বিষয়টি তাঁকে অপরাধ বোধে ফেলেছিল। তবুও সেলিমের চরিত্র, সহায়তা ও সম্মান তাঁকে আকর্ষণ করে। অন্যদিকে সেলিমও এক পর্যায়ে নিজের সন্তানদের কাছে পরিস্থিতি বোঝান। তিনি বলেন, যে তাঁদের মায়ের ভালোবাসার জায়গায় কোনো পরিবর্তন আসবে না, কিন্তু হেলেনের প্রতি যেন সকলেরই সম্মান রেখে চলেন।

প্রথমদিকে সলমন, আরবাজ, সোহেল এবং আলভিরা- সবাইই এই সম্পর্কে অস্বস্তিতে ছিলেন। সলমন বলেছিলেন, ছোটবেলায় মায়ের কষ্ট তাঁকে সবচেয়ে বেশি আঘাত করত। তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলায়। সালমা খান কখনও সন্তানদের মন বিষিয়ে দেননি। বরং ধৈর্য ও মর্যাদার সাথে বিষয়টি সামলেছেন। আর ধীরে ধীরে হেলেনও পরিবারের অংশ হয়ে ওঠেন। 

আজও খানেরা হেলেনকে শ্রদ্ধা করেন। তাঁরা তাঁকে "হেলেন আন্টি" বলে ডাকলেও আচরণে তিনি পরিবারের এক নির্ভরশীল স্তম্ভ। সালমা–সেলিমের সাম্প্রতিক ৬১তম বিবাহবার্ষিকীতেও হেলেন ছিলেন উৎসবের অংশ- যা প্রমাণ করে সময় কেমন সুন্দরভাবে সকল সম্পর্কের জট খুলে দিয়েছে।

salman khan Mohammed Selim Entertainment News Today