Dharmendra: 'এটা আমাদের ঘরের ব্যক্তিগত বিষয়', ধর্মেন্দ্রকে ঘিরে জল্পনায় মুখ খুললেন হেমা

ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং তাঁদের সন্তান সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা দেওল ও বিজেতা দেওল, মুম্বাইয়ে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন, যেখানে হেমা মালিনী ও তাঁর কন্যারা উপস্থিত ছিলেন না।

ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং তাঁদের সন্তান সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা দেওল ও বিজেতা দেওল, মুম্বাইয়ে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন, যেখানে হেমা মালিনী ও তাঁর কন্যারা উপস্থিত ছিলেন না।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
dharmendra-hema love life

যা বললেন হেমা... Photograph: (ফাইল চিত্র)

২৪ নভেম্বর কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর, তাঁর পরিবারকে ঘিরে নানা জল্পনা শুরু হয়। বিশেষ করে তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনীর পরিবার, আলাদা আলাদা প্রার্থনা সভার আয়োজন করায় অনেকেই ভাবেন, দুই পরিবারের মধ্যে ঘুণ ধরেছে। তবে সম্প্রতি, এই সমস্ত গুজবের অবসান ঘটিয়ে হেমা মালিনী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পূর্ণই পারিবারিক এবং এতে বিভেদের কোনও প্রশ্ন নেই।

Advertisment

ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং তাঁদের সন্তান সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা দেওল ও বিজেতা দেওল, মুম্বাইয়ে একটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন, যেখানে হেমা মালিনী ও তাঁর কন্যারা উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে, ধর্মেন্দ্রর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী এবং তাঁদের কন্যা এশা ও অহনা দেওল তিনটি পৃথক প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন—একটি মুম্বাইয়ে, একটি দিল্লিতে এবং আরেকটি হেমার নির্বাচনী এলাকা মথুরায়।

Deepika Padukone: ৪০-এ পা দীপিকার, ভক্তদের স্বপ্ন পূরণ করলেন অভিনেত্রী, ফ্যান মিটে চমক

এই আলাদা আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন উঠলে, হেমা মালিনী ইটাইমস-কে বলেন, “এটা আমাদের পরিবারের ব্যক্তিগত গল্প। আমরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছি এই নিয়ে।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, প্রকাশ কৌরের পরিবারের সঙ্গে তাঁর বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের গোষ্ঠী আলাদা বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাঁর কথায়, “আমার বাড়িতে প্রার্থনা সভা করেছি কারণ আমার লোকজন আলাদা। দিল্লিতে করেছি রাজনৈতিক বন্ধুদের জন্য, আর মথুরা আমার নির্বাচনী এলাকা- সেখানকার মানুষও ধর্মেন্দ্রজির জন্য প্রার্থনা করতে চেয়েছিলেন।”

হেমা জানান, এই সিদ্ধান্তে তিনি সন্তুষ্ট। তিনি আরও জানান, ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্যে তিনি ও কন্যা এশা দেওল উপস্থিত থাকলেও, অহনা দেওল সেখানে থাকতে পারেননি। পরে সানি ও ববি দেওল, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হরিদ্বারে গিয়ে, গঙ্গায় ধর্মেন্দ্রর অস্থি বিসর্জন দেন, যেখানে হেমার পরিবার উপস্থিত ছিলেন না।

Dev Visits Boroma: ‘এ বছরটা সহজ হবে না’, বড়মার মন্দিরে দাঁড়িয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য দেবের

পরিবারে ফাটল নিয়ে জল্পনা প্রসঙ্গে হেমা স্পষ্ট করে বলেন, “সবকিছু সুন্দরভাবে চলছে। আমাদের নিয়ে কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। আমরা একদম ভালো আছি।” ধর্মেন্দ্রর লোনাভালা ফার্মহাউসকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনা নিয়েও তিনি জানান, সানি দেওল এই বিষয়ে পরিকল্পনা করছেন।

এছাড়াও ধর্মেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময় পাপারাজ্জিদের সঙ্গে সানি দেওলের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে হেমা বলেন, পরিবার তখন ভীষণ মানসিক চাপের মধ্যে ছিল। “মিডিয়া আমাদের গাড়ির পেছনে ছুটছিল, খুব হয়রানি হয়েছিল,”—এই আবেগঘন পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি।

Dharmendra Entertainment News Today