/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/30/hrithik-2026-01-30-12-43-25.jpg)
কী বললেন ঋত্বিক তাঁর দিদিকে...
হৃতিক রোশনের বোন সুনয়না রোশন, বহুবার প্রকাশ্যে নিজের মদ্যপানজনিত আসক্তি এবং সেই কঠিন সময় থেকে বেরিয়ে আসার সংগ্রামের কথা শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি ফের একবার তিনি সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। যেখানে জানিয়েছেন, নিজের সমস্যাকে স্বীকার করাই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় টার্নিং পয়েন্ট। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে, সুনয়না ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে, খোলামেলা ভাবে তার আরোগ্যযাত্রার গল্প বলেন এবং জানান, কীভাবে এই লড়াই তাকে নতুনভাবে জীবনকে দেখতে শিখিয়েছে।
সুনয়না বলেন, "আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ ছিল স্বীকার করা, যে আমার একটা সমস্যা আছে। আর সেই স্বীকারোক্তিটাই সবকিছু বদলে দিয়েছে। আসক্তি শুধু মদ্যপানেই সীমাবদ্ধ নয়- এটা খাবার, চিনি, এমনকি অভ্যাসও হতে পারে। অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না যে আমরা কীভাবে এগুলোর সঙ্গে আটকে পড়ছি।"
Rajesh Khanna: প্রেম নয়, ছিল সংগ্রাম: রাজেশ–ডিম্পলের দাম্পত্য জীবনের বাস্তব চিত্র গায়ে কাঁটা দেওয়ার মত
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি আরও জানান, এক সময় অ্যালকোহলের পাশাপাশি মিষ্টি ও জাঙ্ক ফুডের সঙ্গেও তার অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তবে সঠিক মানসিকতা, পরিবারের সমর্থন এবং পেশাদার সহায়তার মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সেই জীবন থেকে বেরিয়ে আসেন। “এই যাত্রা আমাকে শিখিয়েছে যে, নিরাময় মানে পরিপূর্ণতা নয়, বরং অগ্রগতি। এক ধাপ করে এগিয়ে যাওয়াটাই আসল,” বলেন সুনয়না।
তার মতে, আসক্তি মানুষকে সংজ্ঞায়িত করে না, বরং আত্মসমালোচনা এবং আত্মউন্নতির পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। তাঁর কথায়, “আপনাকে একা লড়তে হবে না। সাহায্য চাইতে ভয় পাবেন না। কখনও কখনও সামান্য সমর্থনই বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে।" এই পোস্টের পর সোশ্যাল মিডিয়া প্রশংসায় ভরে ওঠে। ভক্তরা তার সাহসিকতা এবং সততার প্রশংসা করেন। হৃতিক রোশন কমেন্টে লেখেন, “ভালোবাসি দিদি,” আর বাবা রাকেশ রোশন লেখেন, “তুমি সত্যিই অনুপ্রেরণা।” মা পিঙ্কি রোশনও লেখেন, “ব্র্যাভো।”
Virat Kohli-Anushka: হঠাৎ উধাও! বিরাটকে খুঁজে না পেয়েই অনুস্কার দ্বারস্থ ভক্তরা
এর আগেও এক সাক্ষাৎকারে সুনয়না জানিয়েছিলেন, কীভাবে ধীরে ধীরে তার মদ্যপান বেড়ে গিয়েছিল। সুনয়নার দাবি, "এক ক্যান বিয়ার থেকে ছয় ক্যান হয়ে যেত। এমন দিনও ছিল, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পান করতাম। একদিন বুঝলাম আগের রাতের কিছুই মনে নেই, সেটাই আমাকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিল।" পুনর্বাসন কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা নিয়েও তিনি খোলামেলা কথা বলেন। সেখানে ২৮ দিনের চিকিৎসাকালীন কঠোর নিয়ম, কাউন্সেলিং এবং আত্মবিশ্লেষণের মধ্য দিয়েই তিনি নতুন করে জীবন শুরু করার শক্তি পান। আজ সেই অভিজ্ঞতাই তাকে অন্যদের অনুপ্রাণিত করছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us