/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/03/imran-avantikafotojet-51-2026-02-03-18-35-27.jpg)
যা বললেন ইমরান...
বলিউড অভিনেতা ইমরান খান সম্প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। সম্পর্ক, প্রাক্তন স্ত্রী অবন্তিকা মালিকের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ এবং তাঁদের মেয়ে ইমারার হেফাজত ভাগ করে নেওয়া- সব বিষয়েই অকপট ইমরান। সাত বছর আগে বিচ্ছেদের পর থেকে কীভাবে তিনি একক বাবা হিসেবে মেয়েকে বড় করছেন, সেই অভিজ্ঞতাই উঠে এসেছে তাঁর কথায়।
টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমরান জানান, বিচ্ছেদের পর তিনি এবং অবন্তিকা যৌথ হেফাজতের সিদ্ধান্ত নেন। সেই অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত ইমারার সঙ্গে থাকেন ইমরান। অভিনেতার কথায়, “বিচ্ছেদের পর সাত বছর কেটে গেছে। এই সময়ে আমি আমার মেয়েকে একক বাবা হিসেবেই বড় করেছি। আশ্চর্যের বিষয় হল, আমি কখনও কোনও আয়া বা সহকারী নিযুক্ত করিনি।”
Desu7: বুকমাইশো থেকে হলে- গোল্ডেন টিকিট নিয়ে কী জানালেন দেব?
ইমরান স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর জীবনে কী সবচেয়ে মূল্যবান, সে বিষয়ে তিনি একদম পরিষ্কার। “আমি কী থেকে আমার মূল্য পাই, সেটাই আসল কথা। আমার মেয়ের সঙ্গে কাটানো সময়টাই আমার কাছে সবচেয়ে দামী,” বলেন তিনি। অভিনেতা জানান, ইমারাকে স্কুলে নামানো, রাতে গল্প পড়ে শোনানো, সকালে ঘুম থেকে তোলা- এই প্রতিটি মুহূর্ত তিনি নিজেই উপভোগ করতে চান। “আমি চাই না অন্য কেউ ওকে স্কুলে নিয়ে যাক বা রাতে বিছানায় শুইয়ে দিক। এই সময়টা নিয়ে আমি ভীষণ লোভী,”- হাসতে হাসতে বলেন ইমরান।
তিনি আরও যোগ করেন, “বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার, ইমারা আমার সঙ্গেই থাকে। আমি ওকে ঘুম পাড়াই, রাতে বই পড়ে শোনাই, সকালে ডাব্বা প্যাক করি, স্কুলে নিয়ে যাই, আবার নিয়ে আসি। কারণ এটাই আমার কাছে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
Rajinikanth: সততার নজির গড়ে রজনীকান্তের কাছ থেকে বহুমুল্য উপহার পেলেন সাফাই কর্মী
ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও কথা বলেছেন ইমরান। বর্তমানে লেখ ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, তাঁদের বয়স এখন চল্লিশের কোঠায়, তাই ‘বান্ধবী’ না ‘পার্টনার’- কোন শব্দটি ব্যবহার করা উচিত, তা নিয়েই তিনি দ্বিধায়। “সে আমার পার্টনার… আমার বান্ধবী… ঠিক কোন শব্দটা ব্যবহার করব, সেটাই বুঝে উঠতে পারি না,” বলেন ইমরান।
লেখার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে ইমরান জানান, এই সম্পর্ক তাঁকে অনেকটাই পরিণত করেছে। তাঁর কথায়, “একটা স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, সেটা লেখার কাছ থেকেই আমি শিখেছি। আমরা দু’জনেই নিজেদের মতামত ভাগ করে নিতে পারি, কোনও রক্তক্ষয় ছাড়াই সমাধানে পৌঁছাই।”
এই সম্পর্ককে তিনি “নিরাময়কারী ও পুষ্টিকর” বলেও উল্লেখ করেন। ইমরানের মতে, এই অভিজ্ঞতাই তাঁকে জীবনের পরিস্থিতিতে সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে শিখিয়েছে। সব মিলিয়ে, ইমরান খানের জীবনের এই অধ্যায় তাঁর ব্যক্তিগত বিবর্তনেরই এক স্পষ্ট ছবি তুলে ধরে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us