/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/18/KntpPpBOKsbhoEpGxRc0.jpg)
আবেগপ্রবণ আমির কন্যা ইরা
বলিউড সুপারস্টার আমির খানের কন্যা ইরা খান, আবারও নীরবতা ভেঙে সততার পথ বেছে নিয়েছেন। এবার তিনি প্রকাশ্যে কথা বললেন শরীরের ভাবমূর্তি, আত্ম-মূল্যবোধ এবং খাবারের সঙ্গে নিজের জটিল সম্পর্ক নিয়ে। একটি খোলামেলা ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ও ভিডিওতে ইরা জানিয়েছেন, ২০২০ সাল থেকে তিনি নিজের শরীরকে কীভাবে দেখেন, তা নিয়ে গভীর মানসিক অবসাদের মধ্যে রয়েছেন। তাঁর কথায়, হতাশা নিয়ে আগেও তিনি প্রকাশ্যে কথা বলেছেন, কিন্তু শরীর নিয়ে এই সত্যিটা বলা তার কাছে আরও বেশি ভয়ের ছিল।
নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে ইরা বলেন, গত কয়েক বছর ধরে তিনি নিজেকে কখনও ‘অযোগ্য’, কখনও ‘অতিরিক্ত ওজনের’, আবার কখনও ‘স্থূলকায়’ বলে মনে করেছেন। একই সঙ্গে তিনি চেষ্টা করছেন, খাবার ও শরীরের সঙ্গে নিজের সম্পর্কটা বুঝতে। ইরা স্পষ্ট করে জানান, তাঁর কোনও নির্ণীত খাওয়ার ব্যাধি নেই এবং তিনি কোনও বিশেষজ্ঞের জায়গা থেকে কথা বলছেন না। তবে নিজের চিন্তাভাবনায় সামান্য হলেও, একটি ইতিবাচক পরিবর্তন অনুভব করায়, তিনি মনে করেছেন, এই বিষয়ে কথা বলা জরুরি।
ইনস্টাগ্রামে তিনি লেখেন, ২০২০ সাল থেকে এই অনুভূতিগুলো তাঁর জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে এবং এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর তিনি খুঁজে পাননি। তবু নিজের ভেতরের পরিবর্তনকে সম্মান জানিয়ে তিনি অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি স্বীকার করেন, হতাশা নিয়ে কথা বলার মতো আত্মবিশ্বাস এবার তাঁর নেই, কারণ বিষয়টি তাঁকে আরও বেশি অসহায় ও ভীত করে তোলে।
Raj Chakraborty-Koel: মিতিনের অ্যাকশনের পর এবার টলিউডের দায়িত্ব কোয়েলের? রাজের কথায় ইঙ্গিত
ভিডিও বার্তায় ইরা সরাসরি নিজেকে হাতি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, নিজের বয়স ও উচ্চতার তুলনায় তিনি স্থূলকায়, এবং বহু বছর ধরেই শরীর নিয়ে অস্বস্তি ও খাবার নিয়ে দ্বন্দ্বে ভুগছেন। এই মানসিক চাপ তাঁর আত্মবিশ্বাস, আত্ম-মূল্যবোধ, কাজের জগৎ, বন্ধুত্ব এবং স্বামী নুপুর শিখারের সঙ্গে সম্পর্কেও প্রভাব ফেলেছে বলে তিনি জানান।
ইরা আরও বলেন, শরীরের ভার সংক্রান্ত এই সমস্যাগুলো, তাঁর জীবনে ঠিক ততটাই গভীর প্রভাব ফেলেছে, যতটা একসময় হতাশা ফেলেছিল। এই ধারাবাহিক পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের ভয়, চিন্তা ও মানসিক প্যাটার্নগুলো বুঝতে এবং ধীরে ধীরে নিজেকে সারিয়ে তুলতে চান।
অনলাইন প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি সতর্কতাও দেন, মন্তব্য হজম করার ক্ষেত্রে সাবধান থাকতে বলেন এবং স্পষ্ট করে জানান- তাঁর উদ্দেশ্য প্রশংসা বা বৈধতা খোঁজা নয়, বরং শরীরের ভাব ও মানসিক স্বাস্থ্যের মতো কঠিন বিষয়গুলোকে স্বাভাবিক করে তোলা। ইরার এই স্বীকারোক্তি আবারও প্রমাণ করে, অস্বস্তিকর হলেও এমন কথোপকথন সমাজের জন্য ভীষণ প্রয়োজনীয়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us