/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/02/mithun-2026-02-02-17-32-31.jpg)
কে এই অভিনেত্রী...
এক সময় ভারতীয় সিনেমার আকাশে কিছু মুখ এমনভাবে জ্বলে উঠেছিল, যাদের আলো সহজে নিভে যাওয়ার নয়। কেউ সময়ের সঙ্গে হারিয়ে গেছেন, কেউ রয়ে গেছেন শীর্ষে। আবার কেউ কেউ আড়ালে সরে গিয়েও স্মৃতির গভীরে বেঁচে থেকেছেন। কল্পনা আইয়ার ঠিক সেই বিরল প্রজাতির তারকা- যিনি পর্দা ছেড়েও পুরোপুরি অদৃশ্য হননি।
“হরি ওম হরি”, “রম্ভা হো” কিংবা “জব ছায়ে তেরা জাদু”- এই গানগুলো আজও যেন সময়ের বাইরে। সম্প্রতি এক পারিবারিক বিয়েতে ‘রম্ভা হো’-এর নাচ ভাইরাল হতেই ফের আলোচনায় ফিরে এলেন কল্পনা। যেন মনে করিয়ে দিলেন- কিছু তারকা কখনও ফুরিয়ে যান না, তাঁরা কেবল অপেক্ষা করেন।
কিন্তু সেই অপেক্ষার শুরু হয়েছিল হঠাৎ এক বিদায় দিয়ে। যখন সকলে ভাবছিলেন কল্পনা আইয়ার, তাঁর কেরিয়ারের শীর্ষে, তখনই তিনি সিনেমা ছেড়ে শুধু ইন্ডাস্ট্রি নয়, দেশও ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। কল্পনার জীবনকথা শুরু হয় সিনেমার আগেই। তামিলনাড়ুর আইয়ার পরিবারে জন্ম, বাবা-মায়ের প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে। দেব আনন্দের ছবির নাম থেকেই মেয়ের নাম রাখা- কল্পনা। কে জানত, একদিন সেই কল্পনাই ভাগ্যকে ছাপিয়ে যাবে!
Arijit Singh-Ila Arun: ‘ও ইঁদুর দৌড়ে বিশ্বাসী নয়’, অরিজিৎ সিংকে কেন লম্বা রেসের ঘোড়া বললেন ইলা?
মাত্র ১২ বছর বয়সে পরিবারের রোজগেরে হয়ে ওঠেন কল্পনা। নাচ বা অভিনয়ের কোনও আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ ছিল না। "আমাদের খাওয়ার টাকা ছিল না, নাচের ক্লাস তো দূরের কথা," এক পডকাস্টে তিনি বলেছিলেন। "নাচ ছিল সহজাত, অভিনয় ছিল একেবারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা।"
স্কুলের এক অনুষ্ঠানে তাঁর প্রতিভা চোখে পড়ে শোম্যান মুকেশ শর্মার। সেখান থেকেই বিদেশ সফর, একই বিমানে অমিতাভ-জয়ার সঙ্গে যাত্রা। "সেই মুহূর্তেই আমার জীবন বদলে যায়," স্মৃতিচারণ করেন কল্পনা।
ধার করা পোশাকে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা, ১৯৭৫-এ নেভি কুইনের রানার-আপ, তারপর মডেলিং, ফেমিনা, আর রাজশ্রী ফিল্মসের হাত ধরে সিনেমায় প্রবেশ। দেব আনন্দের লুটমার-এর একটি নাচই তাঁকে রাতারাতি পরিচিত করে তোলে। “আমি কোনও পরিকল্পনা করিনি,” হাসতে হাসতে বলেন তিনি, “ঘটনাগুলো যেন আপনা থেকেই ঘটেছিল।”
Sayak Chakraborty: অনিচ্ছাকৃত ভুল স্বীকার করল রেস্তোরাঁ, অভিযোগ প্রত্যাহার করলেন সায়ক
কাজ কমতেই টেলিভিশনে পা রাখেন কল্পনা। কাশিশ, জুনুন জনপ্রিয় হয়। শেষে হাম সাথ সাথ হ্যায়। তারপর ১৯৯৯ সালে দুবাই পাড়ি। ভেবেছিলেন পাঁচ বছরের বিরতি, হয়ে যায় পঁচিশ। "আমি ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। আমি কাজ উপভোগ করছিলাম না।" দুবাই তাঁকে শান্তি, নিরাপত্তা আর সম্মান দেয়।
আজও বিয়ে করেননি কল্পনা। পরিবার খুঁজে পেয়েছেন ভাগ্নের মধ্যে। অনুতাপ একটাই- ভাইবোনদের জন্য সময় না রাখা। তবু আশা ছাড়েননি। “আমি কাজ করতে রাজি,” বলেন তিনি। “শুধু বয়স অনুযায়ী চরিত্র দিন। এক মিনিট হলেও।" রাজশ্রী ফিল্মস দিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা, সেখানেই শেষ। বহু বছর পরে তিনি বলেন, “জীবনটা যেন পুরো বৃত্তে ফিরে


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us