/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/30/actor-umesh-1600-2025-11-30-14-04-27.jpg)
চলে গেলেন অভিনেতা...
কন্নড় চলচ্চিত্র জগতের বর্ষীয়ান অভিনেতা ‘মহীশূর’ শ্রীকান্তইয়া উমেশ দীর্ঘদিন ক্যান্সারে ভুগে রবিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর প্রয়াণে দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রমহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উমেশের শিল্পজীবন ছিল পাঁচ দশকেরও বেশি দীর্ঘ। তাঁর অভিনীত সিনেমার সংখ্যা ৩৫০–এরও বেশি, যা কন্নড় সিনেমায় এক উল্লেখযোগ্য সম্পদ। ১৯৪৫ সালের ২৪ এপ্রিল মহীশূরে জন্মগ্রহণ করা উমেশ অতি অল্প বয়সেই অভিনয়ের প্রতি আকৃষ্ট হন। মাত্র চার বছর বয়সে, তিনি মাস্টার কে. হিরান্নায়ার থিয়েটার গ্রুপে অভিনয় শুরু করেন। পরে তিনি গুব্বি ভিরান্নার প্রসিদ্ধ নাট্যদলে যোগ দেন, যা তাঁর অভিনয়জীবনের ভিত্তিকে আরও মজবুত করে।
Randeep Hooda Lin Laishram Baby: দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীতে জোড়া উদযাপন, দুই থেকে তিন হচ্ছেন রণদীপ-লিন
১৯৬০ সালে মাক্কালা রাজ্য চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে বড় সুযোগ পান। তবে সেই সময়ে তাঁর কর্মজীবনে স্থবিরতা দেখা দেয় এবং তাঁকে আবার থিয়েটারে ফিরে যেতে হয়। দীর্ঘ সংগ্রামের পর ১৯৭৭ সালের 'কথা সঙ্গম' তাঁর জন্য একটি বড় মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। একের পর এক সফল ছবিতে অভিনয় করে তিনি কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় মুখে পরিণত হন।
উমেশ অভিনয় করেছেন নাগারা হোল (১৯৭৮), গুরু শিষ্যরু (১৯৮১), অনুপমা (১৯৮১), কামনা বিল্লু (১৯৮৩) এবং পরবর্তী সময়ে ভেঙ্কটা (সংকত) (২০০৭)–সহ বহু প্রশংসিত সিনেমায়। তাঁর কর্মজীবনে তিনি কন্নড়ের প্রায় সব শীর্ষ নায়কের সঙ্গে কাজ করেছেন- রাজকুমার, বিষ্ণুবর্ধন, অম্বরীশ, শ্রীনাথ, শঙ্কর নাগ, অনন্ত নাগ প্রমুখ। শুধু কন্নড় নয়, তামিল কিংবদন্তি শিবাজি গণেশন এবং সুপারস্টার রজনীকান্তের সঙ্গেও পর্দা ভাগ করে নিয়েছিলেন তিনি।
Salman Khan-Dharmendra: 'হোস্ট করতে চাইনি', ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে শোকে ডুবলেন সলমন
/indian-express-bangla/media/post_attachments/2025/11/actor-umesh-1600-351835.jpg?w=640)
তাঁর প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি ১৯৭৫ সালে কথা সঙ্গমা সিনেমায়, সেরা পার্শ্ব অভিনেতার জন্য কর্ণাটক রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। থিয়েটারে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে কর্ণাটক নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়।
অভিনেতার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে জেডিএস নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এইচ. ডি. কুমারস্বামী এক্স-এ লেখেন- "তাঁর অনন্য হাস্যরস ও প্রাঞ্জল অভিনয় দর্শকদের হৃদয়ে অমলিন হয়ে থাকবে। ‘গুরু শিষ্যরু’, ‘হালু জেনু’, ‘অপূর্ব সঙ্গমা’র মতো ছবিতে তাঁর অবদান কন্নড় চলচ্চিত্রের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us