/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/25/tu-meri-main-tera-main-tera-tu-meri-movie-review-kartik-aaryan-ananya-2025-12-25-14-07-04.jpg)
কেমন হল এই ছবি?
এটা যেন ২০২৫-এর শেষে এসে, হঠাৎ করে টাইম মেশিনে চেপে নব্বইয়ের দশকে ফিরে যাওয়া। ‘তু মেরি ম্যায় তেরা ম্যায় তেরা তু মেরি’ দেখতে বসার সঙ্গে সঙ্গেই দর্শকের মাথায় একের পর এক প্রশ্ন ঘুরতে থাকতে বাধ্য। দু’জন মানুষ, যাদের প্রেম মানেই ঝগড়া–মান–অভিমান–মেকআপ- মেকআউট- তাদের নিয়ে আর কতবার একই গল্প বলা যায়? তার উপর ছবির প্রথমার্ধটা এমনভাবে সাজানো, যেন পুরোটা ক্রোয়েশিয়ার পর্যটন দপ্তরের বিজ্ঞাপন। চরিত্রগুলোও যেন একসঙ্গে জোড়া লাগানো, তারা আদৌ পরিবার হিসেবে বিশ্বাসযোগ্য কি না- সেই ভাবনার জায়গাই নেই।
সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা যদিও অন্য জায়গায়- আড়াই ঘণ্টার এই চকচকে অথচ ফাঁপা রোম্যান্টিক ড্রামা কি আদৌ আজকের জেনারেশন বা, জেড দর্শকদের জন্য বলিউডের সেরা উপহার?
Dev Birthday: দেবের জন্মদিনে ডাবল সেলিব্রেশন! ৫০তম ছবির নাম ঘোষণা করলেন অভিনেতা
গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন আমেরিকা-প্রবাসী ওয়েডিং প্ল্যানার রেহান ওরফে রায় মেহরা (কার্তিক আরিয়ান) এবং আগ্রার মেয়ে রুমি (অনন্যা পান্ডে)। বিমানবন্দরের একটি বইয়ের দোকানে তাদের প্রথম দেখা। রুমি ছোট হিল পরে, উপরের তাক থেকে বই নামাতে গিয়ে সমস্যায়, আর রায় এমন একজন বিরক্তিকর সহযাত্রী, যে ফ্লাইটে এয়ার হোস্টেসের সঙ্গে ফ্লার্ট করতে ব্যস্ত। কাকতালীয়ভাবে দু’জনেই একই ইয়ট ট্রিপে, এমনকি একই কেবিনে বুক করা- এরপর কী হবে, তা আন্দাজ করা কঠিন নয়।
ক্যাফে, সৈকত আর ইউরোপীয় রোম্যান্সের ফাঁকে কিউপিড কাজ শুরু করে। প্রেম আসে, তারপর আসে দ্বন্দ্ব- যাকে রায় মজা করে ‘বিগ সি’ বলে। সমস্যা শুধু পরিবার নয়, যদিও পরিবার আছে- রুমির বাবা কর্নেল সিং (জ্যাকি শ্রফ), দেশপ্রেমে ভরপুর এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার, আর রায়ের মা পিঙ্কি মেহতা (নীনা গুপ্তা), যিনি হঠাৎ করেই ‘চোলি কে পিছে’ গানে নেমে নাচতে শুরু করেন।
Imani Dia Smith: ‘দ্য লায়ন কিং’-এর ইয়ং নালা আর নেই, প্রেমিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ
পুরো ছবিটা নব্বইয়ের দশকের রোম্যান্সের নস্টালজিয়ায় ভরা। গ্লিসারিন-মাখা আবেগ, গান-নাচ, কান্না আর পারিবারিক নাটক। সাব-প্লটে রুমির বোন জিয়া, টিন্ডার প্রেম, তড়িঘড়ি বিয়ে- সব মিলিয়ে পরিচিত ছকে বাঁধা গল্প।
কার্তিক আরিয়ান ও অনন্যা পান্ডেকে, আগেও একসঙ্গে ভালো লেগেছিল, কিন্তু এখানে ছয় বছর পরেও তাদের রসায়ন বিশ্বাসযোগ্য নয়। জ্যাকি শ্রফ ও নীনা গুপ্তা, বরং বেশি প্রভাব ফেলেন। শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন থেকেই যায়- বলিউড কি সত্যিই বদলাতে চাইছে, নাকি অতীতেই বারবার ফিরে যাচ্ছে?
অভিনয়েঃ কার্তিক আরিয়ান, অনন্যা পান্ডে, নীনা গুপ্তা, জ্যাকি শ্রফ, চাঁদনী ভাবদা, গ্রুশা কাপুর, টিকু তালসানিয়া, গৌরব পান্ডে, লোকেশ মিত্তল।
পরিচালক: সমীর বিদওয়ান্স
রেটিং: ১.৫/ ৫
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us