/indian-express-bangla/media/media_files/2025/07/16/siddharth-malhotra-and-kiara-advani-welcomed-their-baby-girl-2025-07-16-11-00-04.jpg)
যা বললেন মেয়েকে নিয়ে তিনি...
প্রথম সন্তানের জন্মের চার মাস পর, অবশেষে নিজের কন্যার নাম প্রকাশ করলেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও কিয়ারা আদভানি। ২৮ নভেম্বর, শুক্রবার মেয়ের ছোট্ট পা ধরে, একটি মনোমুগ্ধকর ছবি শেয়ার করে তারা জানালেন- নতুন অতিথির নাম সারায়া মালহোত্রা। এরপরই পিতৃত্ব নিয়ে মুখ খুলেছেন সিদ্ধার্থ, জানিয়েছেন কীভাবে সারায়ার আগমনে বদলে গেছে তাঁদের জীবন।
মোজো স্টোরিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিদ্ধার্থ বলেন, প্রতিদিন সকালে মেয়েকে স্ট্রেচিং করানো ও ম্যাসেজ দেওয়া এখন তাঁদের পরিবারের নিয়মিত রুটিন। সিদ্ধার্থের কথায়, "মেয়ের বাবা হওয়ার পর জীবন সত্যিই বদলে গেছে, আরও ভালভাবে। যে কথা বলতে পারে না, তার জন্য এতটা নরম হয়ে যাওয়া- এ অভিজ্ঞতা নতুন। বুঝতে পেরেছি, আমি আর বাড়ির নায়ক নই, আসল সুপারস্টার এখন ও।"
Jeet: জন্মদিনে বড়সড় ধামাকা! বিপ্লবী না ডাকাত? কোন রূপে ফিরলেন জিৎ?
সারায়াহ নামটির অর্থ প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থ জানান, এটি একটি হিব্রু শব্দ, যার মানে ‘ঈশ্বরের রাজকন্যা’। গর্ভাবস্থা ও সন্তান জন্মের পুরো সময়ে কিয়ারাকে দেখে তাঁর নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, "পুরুষরা কথা বলে সাহস আর শক্তির, কিন্তু একজন নারী যখন মা হন, তখনই বুঝতে পারা যায় প্রকৃত শক্তি কাকে বলে। গর্ভাবস্থার হরমোন পরিবর্তন, শারীরিক যন্ত্রণা- এসবের ভেতর দিয়ে গিয়ে আজ সে সত্যিই এক সুপারহিরো।"
সিদ্ধার্থ জানান, সন্তানের যত্নে তিনি-ও যথাসম্ভব দায়িত্ব পালন করছেন- ডায়াপার বদলানো থেকে শুরু করে ছবি তোলা, ঘরে আনন্দময় পরিবেশ রাখা, সবই করছেন নিজের সাধ্যমতো। কেমন বাবা হতে চান? এই প্রশ্নে অভিনেতা বলেন, “এটা আগে ভেবে রাখিনি। এখন পরিস্থিতি অনুযায়ী শিখছি, বেড়ে উঠছি।” তাঁর মতে, আজকের দিনে বাবাদের কাজ- জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা, এবং তাঁরা সন্তান পালনে আগের প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি যুক্ত।
মেয়ের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আগামী দিনে সারায়া ভারতে যে কোনো পেশা বেছে নিতে পারবে- এটা ভেবে আমি গর্বিত। এখন আর ‘এটা করা যাবে, ওটা করা যাবে না’- এমন সীমাবদ্ধতা নেই।"
নিজেকে অতিরিক্ত সুরক্ষামূলক বাবা হিসেবে কল্পনা করেন কি না, এই জবাবে সিদ্ধার্থ বলেন, "এটা নির্ভর করবে আমাদের একসঙ্গে বেড়ে ওঠার যাত্রার ওপর। যখন বুঝব, সে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে,সঠিক-ভুল বিচার করতে পারছে, তখনই মনে করব আমার কাজ সফল। অতিরিক্ত সুরক্ষার প্রয়োজন নেই, ভুল থেকে শেখাটাও তো দরকার।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us