/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/15/shaan-and-kk-2026-01-15-21-00-32.jpg)
যা বলেছিলেন শান...
২০২২ সালের ৩১ মে ভারতীয় সঙ্গীতজগৎ হারিয়েছিল এক অনন্য প্রতিভাকে- কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ, যাকে শ্রোতারা কেকে নামে চিনতেন। বহুমুখী, শক্তিশালী এবং আবেগঘন কণ্ঠের জন্য তিনি ছিলেন, ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম শ্রদ্ধেয় প্লেব্যাক গায়ক। হার্ট অ্যাটাকের কারণে, তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল সঙ্গীতজগৎ। তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সমসাময়িক জনপ্রিয় গায়ক শান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কেকে-র মৃত্যুর স্মৃতি এবং তাঁদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের নানা অজানা উপাখ্যান তুলে ধরলেন।
“চাঁদ সিফারিশ” খ্যাত শান, মনীশের পডকাস্টে হাজির হয়ে বলেন, কেকে–র সঙ্গে তিনি, অন্য যে কারও তুলনায় বেশি গান গেয়েছেন। অন্তত ২০টিরও বেশি ডুয়েট গান, যার মধ্যে এক ডজনের বেশি ছিল সুপারহিট। শুধু রেকর্ডিং নয়, তাঁরা একসঙ্গে বহু শো করেছিলেন, ভ্রমণ করেছেন অসংখ্য শহর, আর সেই সময় গড়ে উঠেছিল গভীর বন্ধন।
কেকে–র ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে শান জানান, তিনি ছিলেন অত্যন্ত সহজ-সরল, ঘরোয়া মানুষ। পার্টি, প্রচার, গ্ল্যামার- এসবের প্রতি তাঁর কোনও আকর্ষণ ছিল না। শান মজা করে বলেন, “আমি তাঁকে পার্টিতে টানতে চেষ্টা করেছি, কিন্তু তিনি জীবনে মাত্র দুইবার পার্টিতে এসেছেন- দুটোই আমার বাড়িতে!” কেকে টেলিভিশন শো বা প্রচারণামূলক শুটিংয়েও খুব অনীহা দেখাতেন। তিনি শুধু গান করতে চাইতেন এবং নিজের গোপন জগতেই থাকতে পছন্দ করতেন।
কেকে–র স্বাস্থ্য সম্পর্কে শান বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে তিনি অত্যন্ত নিয়মিত জীবন যাপন করতেন। ধূমপান বা মদ্যপান করতেন না, ভারী খাবারের প্রতি অনীহা ছিল। সাঁতার, যোগব্যায়াম- এসব ছিল তাঁর দৈনন্দিন রুটিন। তাই তাঁর হার্ট অ্যাটাকের খবর সবাইকে হতবাক করে দেয়। শান বলেন, “তিনি এমন একজন মানুষ ছিলেন, যার কখনও এ রকম কিছু হতে পারে, আমরা ভাবতেও পারি না।”
Dev: আজ থেকে সিনিয়র সিটিজেন দেবের মা, অভিনেতা বলছেন...
ঘটনার পর শানের পরিবারও তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। তাঁকে এমআরআই পর্যন্ত করানো হয়। শান স্বীকার করেন, “উনি চলে যাওয়ার খবর আমি প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি। তাঁর কণ্ঠ আজও মাথার ভেতর বাজে।” কেকে–র মৃত্যু শুধুমাত্র একজন শিল্পীর প্রস্থান নয়—এটি ভারতীয় সংগীতের একটি যুগের সমাপ্তি।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us