/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/18/sanu-2025-12-18-13-07-03.png)
কী কী বলা হয়েছে আদালতে?
প্রখ্যাত নেপথ্য গায়ক কুমার শানু তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় তিনি ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন এবং রীতা ভট্টাচার্য যে সমস্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করেছেন, সেগুলি বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। মামলাটির প্রথম শুনানি হয় ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫।
২০০১ সালে কুমার শানু ও রীতা ভট্টাচার্যের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। তাঁদের একমাত্র পুত্র জান কুমার শানু, যিনি জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো ‘বিগ বস ১৪’-এ অংশগ্রহণ করার পর আলোচনায় আসেন। কুমার শানুর পক্ষে এই মামলা দায়ের করেছেন, আইনজীবী সানা রইস খান, যিনি নিজেও ‘বিগ বস ১৭’-এর প্রাক্তন প্রতিযোগী।
Meher Castellino: প্রয়াত মেহের কাস্টেলিনো, ভারতের প্রথম মিস ইন্ডিয়াকে চেনেন?
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রীতা ভট্টাচার্য ভাইরাল ভায়ানি এবং ফিল্ম উইন্ডোর মতো একাধিক বিনোদনমূলক প্ল্যাটফর্মকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, কুমার শানুর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, গর্ভাবস্থার সময় শানু তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছিলেন, তাঁকে না খাইয়ে রেখেছিলেন, রান্নাঘরে তালাবদ্ধ করে রাখতেন। এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পুষ্টিকর খাবার থেকে, বঞ্চিত করেছিলেন। এমনকি গর্ভবতী অবস্থায়ও, আদালতের চাপ তাঁর উপর, বজায় রাখা হয়েছিল বলে, অভিযোগ করেন তিনি।
এছাড়াও, রীতা ভট্টাচার্য দাবি করেন যে তাঁদের দাম্পত্য জীবনে, কুমার শানুর একাধিক সম্পর্ক ছিল। তিনি পরিবার ও সংসারের প্রতি দায়িত্বহীন ছিলেন। এই সাক্ষাৎকারগুলি, সেপ্টেম্বর ২০২৫-এ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে, যার পরেই কুমার শানু আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আইনজীবী সানা রইস খান জানান, এই মন্তব্যগুলি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০১ সালে, বান্দ্রা পারিবারিক আদালতে, নথিভুক্ত বিবাহবিচ্ছেদের সম্মতিপত্রের শর্ত লঙ্ঘন করেছে। সেই চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা ছিল, ভবিষ্যতে কোনও পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলতে পারবেন না।
মানহানির আবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই অভিযোগগুলির ফলে কুমার শানুর ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনি মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর রীতা ভট্টাচার্য ও সংশ্লিষ্ট মিডিয়া পোর্টালগুলিকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। সেখানে সাক্ষাৎকারগুলি সরিয়ে না নিলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য সমাজে ও পেশাগত মহলে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করেছে, যার ফলে কুমার শানুর আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us