/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/02/dharmendra2-2026-01-02-10-00-48.jpg)
যা বলেছিলেন ধর্মেন্দ্র...
গত বছরের নভেম্বরে, প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণ ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে এমন এক শূন্যতা তৈরি করেছে, যা পূরণ হতে বহু বছর লেগে যাবে। ছয় দশকেরও বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে, ধর্মেন্দ্র শুধু একজন জনপ্রিয় অভিনেতাই ছিলেন না, তিনি হয়ে উঠেছিলেন প্রজন্মের পর প্রজন্মকে যুক্ত করে রাখা এক আবেগের নাম। রোমান্টিক ছবি থেকে শুরু করে অ্যাকশন, সামাজিক কিংবা যুদ্ধভিত্তিক সিনেমা- সময়ের সঙ্গে নিজেকে বদলে নিয়ে তিনি সব ঘরানাতেই নিজের স্বাক্ষর রেখেছেন।
তাঁর শেষ ছবি ‘ইক্কিস’ বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে চলছে। শ্রীরাম রাঘবন পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অগস্ত্য নন্দ ও জয়দীপ আহলাওয়াত। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তৈরি ছবিটি ইতিমধ্যেই সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এই আবহেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ধর্মেন্দ্রর শেষ সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিও, যেখানে তাঁকে ছবিটি নিয়ে আন্তরিকভাবে কথা বলতে দেখা যায়।
Tanya Mittal: ১৫০ জন দেহরক্ষীর গল্প সত্যি? বিগ বস বিতর্কের জবাব দিতে কারখানার দরজা খুললেন তানিয়া
এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ ছড়িয়ে পড়া সেই ক্লিপে ধর্মেন্দ্র বলেন, “আমার একটি ছবি ‘ইক্কিস’ মুক্তি পাচ্ছে। অবশ্যই দেখবেন। শ্রীরাম খুব ভালো পরিচালক- জনি গাদ্দারের মতো ছবি বানিয়েছেন। এটি সীমান্ত-ভিত্তিক হলেও ভীষণ সংবেদনশীল এবং মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।” আজ তাঁর এই কথাগুলি যেন বিদায়বার্তার মতোই শোনায়।
এর কিছুদিন আগে, সানি দেওল ইনস্টাগ্রামে ‘ইক্কিস’-এর শুটিং সেট থেকে একটি নেপথ্য ভিডিও শেয়ার করেছিলেন। সেখানে যুদ্ধের দৃশ্যে শুটিং করতে দেখা যায় ধর্মেন্দ্রকে। ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, “ছবিটা খুব যত্ন নিয়ে বানানো হয়েছে। আমার মনে হয় ভারত আর পাকিস্তান- দু’দেশেরই মানুষ এই ছবি দেখতে পারে।” শুটিংয়ের শেষ দিনে আবেগ ধরে রাখতে না পেরে তিনি বলেন, “আজ আনন্দের সঙ্গে দুঃখও আছে। আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি। আমার কোনও ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন।”
Agastya Nanda: 'শালীনতা রেখে..', সিমরের শাড়ির আঁচল ধরতেই নাতি অগস্ত্যকে খোঁচা অমিতাভের?
শ্রীরাম রাঘবন ও ধর্মেন্দ্রর সম্পর্ক নতুন ছিল না। এর আগেও ‘জনি গাদ্দার’-এ একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তাঁরা। সেই ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যের কথা স্মরণ করতে গিয়ে শ্রীরাম একবার জানান, কীভাবে ধর্মেন্দ্র চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। একটি দৃশ্যে ছুরিকাঘাতে, তাঁর চরিত্রের মৃত্যু দেখানো হয়েছিল। ধর্মেন্দ্র তা দেখে বলেছিলেন, “এভাবে আমি মরতে পারি না। ১৫-২০ মিনিট সময় লাগবে, আর ততক্ষণে আমি ওকেই মেরে ফেলব।” তাঁর এই যুক্তিতেই দৃশ্যটি পুনরায় ভাবা হয় এবং বন্দুক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us