/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/09/lucky-ali-2026-02-09-15-23-30.jpg)
লাকি আলির কাছে সাফল্য ঈশ্বরের উপহার!
লাকি আলি (Lucky Ali) ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক অনন্য, মায়াবী কণ্ঠ। তিন দশকের দীর্ঘ সংগীতজীবন পূর্ণ করেও তিনি নিজেকে এখনও সাফল্যের চূড়ায় বসানো শিল্পী হিসেবে দেখেন না। বরং মনে করেন, এ এক ঈশ্বরপ্রদত্ত আশীর্বাদ। সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘এত বছর ধরে শ্রোতাদের যে অগাধ ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, তা তাঁর প্রাপ্য বলেই মনে করেন না। তাঁর কথায়, ‘এই সুযোগটা আমি পেয়েছি, এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি মনে করি এটা একটা উপহার, আর আমি সেটাকে সম্মান করি।’
‘গোরি তেরি আঁখেঁ কহে’, ‘তেরি ইয়াদ যখন আতি হ্যায়’,‘না তুম জানো না হম’, ‘এক পাল কা জীনা’, ‘জানে ক্যা ধুন্ডতা হ্যায়’ এমন একের পর এক কালজয়ী গানের শিল্পী লাকি আলি আবারও ফিরেছেন তাঁর স্বাক্ষরধর্মী সুরেলা আবহ নিয়ে। তাঁর নতুন সিঙ্গল ‘তু জানে হ্যায় কোথায়’, যা টিপস মিউজিক ব্যানারে প্রকাশিত, ইতিমধ্যেই অনুরাগীদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।
তিন দশকের পথচলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লাকি আলি বলেন, তিনি কখনও খ্যাতিকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চাননি। তাঁর বিশ্বাস, জীবনে কিছুই স্থায়ী নয়, একসময় সবই থেমে যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের ভেতরের প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে চাইছেন। সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরও তাঁর মনে হয়, কোলাহলের বাইরে কোথাও যেন তিনি এখনও কিছু খুঁজে ফিরছেন এক টুকরো শান্তি, এক গভীর আত্মঅন্বেষণ।
আরও পড়ুন: পদ্মশ্রী পেয়ে বালিগঞ্জে গ্র্যান্ড পার্টি, প্রসেনজিতের বাড়িতে চাঁদের হাট
১৯৯৬ সালে ‘সুনোহ’ অ্যালবাম দিয়ে তাঁর সংগীতযাত্রার সূচনা। সেই অ্যালবামেরই অমর গান ‘ও সনম’ তাঁকে ইন্ডি-পপের অন্যতম প্রধান মুখে পরিণত করে। মূলধারার চলচ্চিত্র সংগীতের বদলে ইন্ডি-পপ দিয়ে শুরু করা প্রসঙ্গে তিনি খোলাখুলি বলেন, তিনি নিজেকে প্রচলিত অর্থে
‘প্লেব্যাক সিঙ্গার’ মনে করেন না। তাঁর ভাষায়, ‘আমি কারও জন্য গান গাইতে চাইনি। আমি নিজের জন্য গান গাই। পরিচালক বা শিল্পের নিয়ম মেনে গায়কির চর্চা আমার ছিল না, আমার গান ছিল ভেতর থেকে উঠে আসা অনুভূতির প্রকাশ।”
লাকি আলির কাছে সঙ্গীত কেবল বিনোদন নয়। এ এক যোগাযোগের ভাষা। তিনি মনে করেন, গান এমন এক মাধ্যম, যার মাধ্যমে মানুষ নিজের অনুভূতি অন্যের কাছে পৌঁছে দিতে পারে, বিশেষত তাদের কাছে, যারা একই আবেগের ভাষা বোঝে।
আরও পড়ুন: ধর্মে জোরাজুরি নয়, সন্তানদের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে চিন্তিত ছিলেন সইফ আলি খান!
তাঁর নতুন গানটিও ব্যক্তিগত টানাপোড়েন, দোলাচল আর অপ্রকাশিত অনুভূতিরই প্রতিফলন। তিনি বলেন, মনের ভেতর জমে থাকা কথাগুলো যখন বলা যায় না, তখনই তা গান হয়ে বেরিয়ে আসে, আর সেটাই শিল্পীর কাছে এক ধরনের মুক্তি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us