Mahima Choudhary: মুখে একাধিক কাঁচের টুকরো! মহিমা চৌধুরী দুর্ঘটনার পর কীভাবে কামব্যাক করলেন?

সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে কথোপকথনে মহিমা জানান, প্রথম ছবি মুক্তির পরই তাঁকে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। চুক্তি সংক্রান্ত ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁকে আদালতে টেনে নেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকটি ছবি থেকে বাদ দেওয়া হয়।

সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে কথোপকথনে মহিমা জানান, প্রথম ছবি মুক্তির পরই তাঁকে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। চুক্তি সংক্রান্ত ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁকে আদালতে টেনে নেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকটি ছবি থেকে বাদ দেওয়া হয়।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
mahima

যা বললেন মহিমা...

Mahima Choudhury: অভিনেত্রী মহিমা চৌধুরীর জীবন শুধু রুপোলি পর্দার সাফল্যে ভরা নয়, বরং ব্যক্তিগত ও পেশাদার স্তরে একাধিক কঠিন লড়াইয়ের সাক্ষী। স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সাহসী লড়াই, ভেঙে যাওয়া দাম্পত্য জীবন এবং কেরিয়ারের শুরুতেই এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা- সব মিলিয়ে তাঁর পথচলা মোটেও সহজ ছিল না। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মহিমা তাঁর জীবনের সেই সব কঠিন অধ্যায়ের কথা, খোলাখুলি ভাগ করে নিয়েছেন।

Advertisment

সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে কথোপকথনে মহিমা জানান, প্রথম ছবি মুক্তির পরই তাঁকে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। চুক্তি সংক্রান্ত ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁকে আদালতে টেনে নেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকটি ছবি থেকে বাদ দেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “আমার বিরুদ্ধে বলা হয়েছিল আমি একজন প্রযোজকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ, যা একেবারেই সত্যি ছিল না। এর ফলেই আমাকে অনেক কাজ হারাতে হয়।” ঠিক সেই সময়েই ঘটে যায় ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা, যা তাঁর জীবনকে কার্যত থামিয়ে দেয়।

Messi Kolkata Chaos: মেসি-ঝড় কলকাতায়, ছবি পোস্ট করতেই ক্ষুব্ধ ভক্তদের নিশানায় শুভশ্রীর আপ্ত সহায়ক

১৯৯৯ সালে অজয় দেবগনের বিপরীতে, দিল কেয়া করে ছবির শুটিং চলাকালীন এই দুর্ঘটনায়, মহিমার মুখে ঢুকে যায় ৬৭টি কাচের টুকরো। মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে সেগুলি ত্বক থেকে বের করতে হয়। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর মুখ এতটাই ফুলে গিয়েছিল, যে তাকে চিনতেই পারা যাচ্ছিল না। সূর্যের আলোয় বের হওয়াও ছিল নিষেধ, কারণ ইউভি রশ্মি, দাগ আরও বাড়িয়ে দিতে পারত। সেই সময়ে এক বছরের বেশি তিনি বাড়িতেই বন্দি ছিলেন, শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

তবুও হার মানেননি মহিমা। ধীরে ধীরে তিনি আবার কাজে ফেরেন। একসময় তাঁকে ‘লাকি ম্যাসকট’ বলা হত, কারণ ছোট চরিত্র বা একটি গানেও যদি তাঁকে দেখা যেত, তবে ছবিগুলি হিট হত। কিন্তু তিনি শুধু বিট অ্যাপিয়ারেন্সে সীমাবদ্ধ থাকতে চাননি। প্রিয়দর্শন, রাজকুমার সন্তোষীর মতো পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে নিজেকে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

বর্তমানে কাজের দিক থেকেও ব্যস্ত মহিমা চৌধুরী। সঞ্জয় মিশ্রর বিপরীতে তাঁর আসন্ন রোমান্টিক কমেডি, দুর্লভ প্রসাদ কি দ্বিতী শাদি আগামী ১৯ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে। শেষবার তাঁকে দেখা গিয়েছিল নেটফ্লিক্সের ছবি নাদানিয়ান-এ। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে আজও মহিমা প্রমাণ করছেন, দৃঢ়তা আর আত্মবিশ্বাস থাকলে, প্রত্যাবর্তন সম্ভব।

Mahima Chowdhury Entertainment News Today