/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/16/srabanti-chatterjee-2026-01-16-14-46-25.jpg)
'বাঙালিদের তো এই স্পেশাল দিনগুলোই মনে থাকার মতো'
মকর সংক্রান্তির দিনে ঘরোয়া আনন্দ আর বাঙালিয়ানার স্বাদে ভরপুর শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি (Srabanti Chatterjee)। তিনি জানান, ‘মা বাড়িতে সকাল সকাল পিঠে-পায়েশ খাইয়েছেন। বাড়ির সবাই মিলে একসঙ্গে খেয়েছি। বাঙালিদের তো এই স্পেশাল দিনগুলোই মনে থাকার মতো।’ তাঁর কথাতেই ধরা পড়ল পারিবারিক উষ্ণতা আর ঐতিহ্যের প্রতি ভালোবাসা। ব্যস্ত শুটিং শিডিউল আর পেশাগত জীবনের চাপের মধ্যেও এমন মুহূর্তগুলোই যেন তাঁকে নতুন করে প্রাণবন্ত করে তোলে।
বাঙালি সংস্কৃতিতে মকর সংক্রান্তির (Makar Sankranti) আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। পিঠে, পায়েশ, নাড়ু, তিলের নানা পদ দিয়ে এই দিনটিকে ঘিরে থাকে আলাদা উচ্ছ্বাস। শ্রাবন্তীর কথায়, এই উৎসব মানে শুধু খাবার নয়, বরং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, হাসি-আড্ডা আর শিকড়ে ফিরে যাওয়ার অনুভূতি। তিনি মনে করেন, এই বিশেষ দিনগুলোই জীবনের স্মৃতির ঝুলিতে সবচেয়ে সুন্দর হয়ে জমা থাকে।
খাবারের প্রসঙ্গে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমি খুব খেতে ভালোবাসি। জীবন তো একটাই, ভালো থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।’ তাঁর এই কথায় ধরা পড়ে জীবনকে সহজভাবে, আনন্দ নিয়ে উপভোগ করার দর্শন। ডায়েট, ফিটনেস কিংবা শরীরচর্চার ব্যস্ততার মাঝেও তিনি খাবারের প্রতি নিজের ভালোবাসা লুকোন না। তাঁর মতে, সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য থাকলেই জীবন সুন্দর হয়।
আরও পড়ুন: মঞ্চে সিরাজ-লুৎফুন্নেসা! ‘সিরাজ এবং’ কবে কোথায় দেখতে পাবেন জেনে নিন
শ্রাবন্তী আরও বলেন, ‘ঠাণ্ডাটা তাড়াতাড়ি চলে গেল, আর একটু থাকলে ভালো হতো। আমার একদম আর ঠাণ্ডা লাগছে না।’ শীতকাল তাঁর কাছে আলাদা প্রিয়। শীত মানেই উষ্ণ পোশাক, গরম খাবার, রোদ পোহানো আর উৎসবের আমেজ। শীত দ্রুত বিদায় নেওয়ায় খানিক আক্ষেপ তাঁর গলায় ধরা পড়ল।
একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হয়েও শ্রাবন্তীর এই সাধারণ জীবনযাপন, পরিবারকেন্দ্রিক ভাবনা আর খাবার-উৎসবের প্রতি ভালোবাসা তাঁকে আরও কাছের করে তোলে সাধারণ মানুষের। তিনি যেন প্রমাণ করেন, তারকাখ্যাতির আড়ালেও একজন সাধারণ বাঙালি মেয়ের মতোই তাঁর আনন্দ, আবেগ আর উৎসবযাপন।
আরও পড়ুন: বলিউড সুপারস্টারকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা! উত্তরপ্রদেশর মন্ত্রীর মন্তব্যে তোলপাড়
মকর সংক্রান্তির দিনে পিঠে-পায়েশের স্বাদ, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো আর শীতের আমেজ-সব মিলিয়ে শ্রাবন্তীর দিনটি ছিল পরিপূর্ণ সুখে ভরা। তাঁর কথার মধ্য দিয়ে উঠে আসে একটাই বার্তা-জীবন একটাই, তাই আনন্দকে উপভোগ করাই সবচেয়ে বড় কথা।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us