/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/24/noname-2025-12-24-13-00-57.png)
চলে গেলেন রঞ্জিত
প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় মারাঠি অভিনেতা ও পরিচালক রঞ্জিত পাতিল। মাত্র ৪২ বছর বয়সে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর অকালপ্রয়াণ, মারাঠি বিনোদন জগতে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। তাঁর মৃত্যুতে একদিকে যেমন একজন দক্ষ শিল্পীকে হারাল ইন্ডাস্ট্রি, তেমনই হারালেন অসংখ্য তরুণ শিল্পী তাঁদের পথপ্রদর্শককে।
মারাঠি থিয়েটার, টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং চলচ্চিত্র- তিন মাধ্যমেই রঞ্জিত পাতিলের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মারাঠি বিনোদন জগতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে থিয়েটারের মাধ্যমে, তিনি নিজের জন্য এক স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন। শুধু একজন অভিনেতা বা পরিচালক হিসেবেই নয়, একজন শিক্ষক ও মেন্টর হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। এক-অভিনয়ের নাটক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি বহু তরুণ শিল্পীকে উৎসাহিত করেছেন, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং শিল্পী হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করেছেন।
পরিচালক হিসেবে তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য কাজ প্রিয়া বাপাত ও উমেশ কামাত অভিনীত নাটক ‘জার তারাচি গোস্তা’। এই নাটকে পরিচালনার পাশাপাশি অভিনয় করেও দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন তিনি। টেলিভিশনেও তাঁর উপস্থিতি ছিল শক্তিশালী। জি মারাঠির জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘হৃদয় প্রীত জগতে’-তে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। এই ধারাবাহিকে তাঁর অভিনীত ‘আঙ্কেল’ চরিত্রটি দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল।
শিক্ষাক্ষেত্রেও রঞ্জিত পাতিলের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। রুইয়া কলেজে একাধিক এক-অঙ্কের নাটক পরিচালনা করে, তিনি ছাত্রছাত্রীদের থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে মারাঠি থিয়েটার জগতে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
রঞ্জিত পাতিলের প্রয়াণে আবেগঘন শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অভিনেত্রী সমৃদ্ধি সালভি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, থিয়েটার সম্পর্কে যা কিছু তিনি জানেন, তার সবটাই রঞ্জিতের কাছ থেকেই শেখা। সংলাপ বলা থেকে শুরু করে মঞ্চে আত্মবিশ্বাসসবকিছুতেই রঞ্জিত ছিলেন তাঁর ভরসার জায়গা। তাঁর কথায়, “আপনাকে ছাড়া পোটদারের অডিটোরিয়াম অসম্পূর্ণ।” এই কথাই প্রমাণ করে, রঞ্জিত পাতিল শুধু একজন শিল্পী নন, ছিলেন বহু শিল্পীর অনুপ্রেরণা।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us