/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/15/1650978458_8-2026-02-15-15-29-12.jpg)
যা করেছিলেন মৌসুমি!
একসময়ের জনপ্রিয় শিশু তারকা ‘মাস্টার রাজু’ নামে পরিচিত রাজু শ্রেষ্ঠা সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে তাঁর অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন। মাত্র তিন বছর বয়সে, ১৯৬৯ সালে অভিনয়জগতে পা রাখা রাজু সেই সময়ে ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী, জিতেন্দ্র ও অমিতাভ বচ্চনের মতো বলিউডের তারকাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। তবে সহ-অভিনেতাদের অধিকাংশকে নিয়ে তাঁর স্মৃতি সুখকর হলেও অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়-এর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে আলাপচারিতায় রাজু জানান, ১৯৭৫ সালে ‘দো ঝুঠ’ ছবিতে মৌসুমীর সঙ্গে তাঁর প্রথম কাজ। ছবিতে আরও ছিলেন বিনোদ মেহরা। সে সময় তাঁর বয়স মাত্র নয়। রাজুর কথায়, “যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেন কার সঙ্গে কাজ করা সবচেয়ে কঠিন, আমি বলব মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়। প্রথমে আমি তাঁকে অভিনেত্রী হিসেবে বুঝতেই পারিনি। তিনি সংলাপ বলতেন বাংলা টানে। আমি কখনও তাঁকে পছন্দ করতাম না।”
Koushani-Bonney: কৌশানি-বনির ভ্যালেন্টাইনসে প্রেমের স্বীকারোক্তি, গঙ্গাবক্ষে রোম্যান্টিক মুহূর্ত
তিনি জানান, একটি দৃশ্যে মৌসুমীর চরিত্রকে তাঁকে বোর্ডিং স্কুলে রেখে যেতে হয়, যেখানে ছোট্ট রাজুর কাঁদার কথা ছিল। তাঁর কথায়, “আমি গ্লিসারিন নিয়ে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু তিনি ধরে নিয়েছিলেন আমি কাঁদতে পারব না। হঠাৎ করেই আমাকে চিমটি কাটতে শুরু করেন। তাঁর নখ ছিল লম্বা, ভীষণ ব্যথা পেয়েছিলাম। তখন সত্যিই কেঁদে ফেলি।" দৃশ্যটি শেষ হওয়ার পর তিনি আরও জোরে কাঁদেন এবং মাকে গিয়ে আঁচড়ের দাগ দেখান। তাঁর মা পরিচালকের কাছে অভিযোগ করলে মৌসুমী নাকি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম সে কাঁদবে না। রিটেক এড়াতে চিমটি কেটেছি।”
ক্লান্তি নেই, আছে নতুন গল্পের উদ্দীপনা, ১৫ বছরে শিবু-নন্দিতার অটুট সাম্রাজ্য
রাজুর দাবি, ১৯৭৮ সালে ‘তুমহারি কসম’ ছবির শুটিংয়েও একই রকম ঘটনা ঘটে। ছবিতে অভিনয় করেছিলেন জিতেন্দ্র ও মৌসুমী। একটি দৃশ্যে তাঁকে মারধরের পর টেনে নিয়ে গিয়ে বিছানায় ফেলার কথা ছিল। রাজু বলেন, “আমি অনুরোধ করেছিলাম, আলতো করে ঠেলে দিতে, আমি নিজেই পড়ে যাব। তিনি রাজি হয়েছিলেন। কিন্তু শটের সময় সত্যিই জোরে আঘাত করে আমাকে ছুড়ে ফেলেন। আমি মারাত্মকভাবে আহত হই। হাড়ে ব্যথা করছিল, অনেক কেঁদেছিলাম। আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘আন্টি, তোমার কী হয়েছে?’ তিনি শুধু হেসে চলে যান।”
এই অভিজ্ঞতা তাঁর মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল। রাজুর কথায়, “আমি খুব আঘাত পেয়েছিলাম। যখনই শুনতাম মৌসুমীর সঙ্গে কাজ করতে হবে, ভয় পেতাম। ওনার সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে খারাপ।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us