/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/17/meh-2025-11-17-15-06-46.jpg)
যা বললেন মেহজাবিন...
গতকাল থেকেই বাংলাদেশের অন্দরে অভিনেত্রী মেহজাবিনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের পাহাড়। অভিনেত্রী এতদিন ধরে যে সম্মান অর্জন করেছিলেন, তা যেন ধুলোয় মিশে যাচ্ছে। তাকে নানা ভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। অভিনেত্রী এবার সোজাসাপ্টা ময়দানে নেমেই নিজের সাফাই গাইলেন। সমাজ মাধ্যমে তিনি এক লম্বা চওড়া পোস্ট করলেন।
মেহজাবীন শুরু থেকে প্রমাণ দিলেন। এবছর শুরুর দিকেই তাঁর এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন সেই ব্যক্তি। কিন্তু, মামলার আগে-পিছে কিছুই জানতেন আন তিনি। অভিনেত্রী প্রমাণ সাপেক্ষে বললেন... "২০২৫ সালের মার্চ মাসে হঠাৎ করেই এক অজানা ব্যক্তি আমার এবং আমার মাত্র ১৯ বছর বয়সী ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি এমন অপ্রত্যাশিত ছিল, যেন আমাদের মাথার ওপর দিয়ে কোনো অদৃশ্য ঝড় বয়ে গেল। কিন্তু সেই ঝড়ের উৎস সম্পর্কে গত নয় মাস ধরে আমরা কিছুই জানতে পারিনি- কারণ অভিযোগকারী ব্যক্তি পুলিশকে আমাদের সঠিক ফোন নম্বর, ঠিকানা বা কোনও যাচাইকৃত তথ্য কিছুই দিতে পারেননি।
Aditi Rao hydari: ফেক নম্বর থেকে ভয়ঙ্কর প্রতারণা! ভক্তদের সাবধান করলেন অদিতি
মেহজাবীন আরও বলছেন, "অভিযোগকারী দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি ২০১৬ সাল থেকে আমার সঙ্গে 'ব্যবসা' করছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছেন যে, আমাকে তিনি ২৭ লাখ টাকা দিয়েছেন। অথচ প্রমাণ হিসেবে - ব্যাংক লেনদেন, চেক, বিকাশ, রশিদ, চুক্তিপত্র, একটি সাক্ষী পর্যন্ত না। কোনো লেনদেনের ছাপ নেই, যেন শূন্যের ওপর ভর করে তৈরি একটি গল্প। তার আরেকটি গুরুতর দাবি- ১১ ফেব্রুয়ারি নাকি আমি তাকে চোখ বেঁধে হাতিরঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু গত নয় মাসেও তিনি দেখাতে পারেননি।"
এর সঙ্গে সঙ্গে তিনি এও জানান, "অদ্ভুতভাবে, তিনি নিজের পরিচয়ও সঠিকভাবে জমা দেননি। এনআইডি পর্যন্ত অনুপস্থিত। যেন একজন ছায়ামানব আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। মামলা নিয়ে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন রহস্য তৈরি হলো- অভিযোগকারী এবং তার আইনজীবী দু’জনের ফোনই হঠাৎ বন্ধ। কেউ ধরছে না, কেউ কথা বলছে না। যেন অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া অচেনা চরিত্র। এক সেকেন্ডের সিসিটিভি ফুটেজ, কোনো ছবি, কোনো সাক্ষী। হাতিরঝিল- ঢাকার সবচেয়ে সিসিটিভি- নিয়ন্ত্রিত এলাকা। নেই কোনো প্রমাণের চিহ্ন। সবচেয়ে বড় বিস্ময় গত নয় মাসে আমি একটি নোটিশও পাইনি। না পুলিশ স্টেশন থেকে কোনো ফোন, না কোর্টের কোনো কাগজ, না কোনো আইনি ডাক।"
Director Rajiv Rai: সেনা শাসনের ঝুঁকি! রাতের নিয়ম ভাঙায় গ্রেপ্তার হন অভিনেতারা
কিন্তু, বেশ মন খারাপ অভিনেত্রীর। তিনি সোজাসুজি জানালেন এতবছর ধরে যে ভালবাসা এবং সম্মান তিনি অর্জন করলেন, সেটা যেন একনিমেষেই ধুলোয় মিশে গিয়েছে। সকলে তাঁর কাছে জবাব চাইছেন, তাকে অবিশ্বাস করছেন, যেন ভাবনার বাইরে। তাই, তো তিনি বলছেন...
"যখন অবশেষে জানতে পারলাম যে আমার নামে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে- আমি কোনো দ্বিধা না করে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন নিয়েছি, কারণ আমি আইনকে সম্মান করি। আমি জানি প্রমাণহীন অভিযোগ কখনো সত্য হয় না। সত্য আদালতেই প্রমাণিত হবে। শেষে শুধু সবাইকে একটি অনুরোধ দয়া করে সহানুভূতিশীল হোন, মানুষের কথা না জেনে মিডিয়া ট্রায়াল শুরু করবেন না। গত ১৫ বছর ধরে, আমার শিল্প, কর্মজীবন এবং দর্শকদের ভালোবাসার জন্য আমি মন-প্রাণ দিয়ে কাজ করেছি। আজ আমাকে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে, এটাই সবচেয়ে কষ্টের।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us