/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/26/mimi-chakraborty-2026-01-26-15-25-10.jpg)
হেনস্থার শিকার মিমি চক্রবর্তী!
বনগাঁর নয়া গোপালগঞ্জে অনুষ্ঠিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে রবিবার অংশ নিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগ এবং ক্লাবের আয়োজকদের পাল্টা বক্তব্য দুই পক্ষের কথাতেই উঠে এসেছে একে অপরের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।
মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগ অনুযায়ী, অনুষ্ঠান চলাকালীন এক ব্যক্তি হঠাৎ স্টেজে উঠে পড়েন এবং তাঁর গান পরিবেশনে বাধা দেন। শুধু তাই নয়, তাঁকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনাকে তিনি অপমানজনক ও অশোভন আচরণ হিসেবে দেখিয়েছেন এবং সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, একজন শিল্পী হিসেবে মঞ্চে তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ অত্যন্ত অসম্মানজনক। অপমানের অভিযোগে পুলিশে দারস্থ মিমি চক্রবর্তী।
অন্যদিকে, এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করেছেন অনুষ্ঠানের ক্লাব আয়োজকেরা। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, মিমি চক্রবর্তীর অনুষ্ঠানে আসার নির্ধারিত সময় ছিল রাত ১০টা ৩০ মিনিট। কিন্তু তিনি সেখানে পৌঁছান প্রায় রাত ১১টা ৪৫ নাগাদ, অর্থাৎ প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে। তা সত্ত্বেও তাঁকে যথাযথ সম্মান জানিয়েই মঞ্চে তোলা হয়। আয়োজকদের আরও দাবি, তাঁদের অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশের অনুমতি ছিল রাত ১২টা পর্যন্ত। সেই কারণে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিয়ম মেনে রাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ তাঁকে সম্মানের সঙ্গেই অনুষ্ঠান শেষ করার অনুরোধ করা হয়।
আরও পড়ুন: ‘অনেক ঠকেছি, তবু মানুষের উপর বিশ্বাস হারাতে পারি না’, ব্যক্তিত্বেও উজ্জ্বল বুম্বাদা!
আয়োজকদের বক্তব্যে স্পষ্ট করা হয়েছে, মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে কোনওরকম অপমানজনক বা অশালীন আচরণ করা হয়নি। তাঁরা বলেন, অনুষ্ঠান কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে যথাযোগ্য সম্মান জানাতে চাওয়া হলেও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা সেই সৌজন্য বিনিময়ে বাধা দেন। এমনকি একজন শিল্পী হিসেবে তাঁকে সম্মানী দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং তাঁকে নিয়ে কোনও অবহেলা বা অসম্মান করার প্রশ্নই ওঠে না বলে দাবি তাঁদের।
আরও পড়ুন: সুরে সুরে ইতিহাস গড়লেন কলকাতার কন্যা অলকা ইয়াগনিক! পদ্মভূষণে সম্মানিত হয়ে ধন্যবাদ জানালেন শ্রোতাদের
ক্লাব কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, মিমি চক্রবর্তী সামাজিক মাধ্যমে যে পোস্ট করেছেন, তা শুধু তাঁদের সংগঠনকেই নয়, গোটা এলাকা এবং বনগাঁ শহরকেই অপমান করেছে। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা শ্রী তনয় শাস্ত্রী বলেন, "মিমি চক্রবর্তীকে কোনরকম অপমানজনক ব্যবহার করা হয়নি। তিনি সামাজিক মাধ্যমে যা লিখেছেন তা এই এলাকার এবং বনগাঁর অপমান করা হচ্ছে। আমাদের পাড়ায় শৃঙ্খলা আছে, আমরা তা ভাঙতে পারি না। পুলিশের পারমিশান ছিল ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠান করার, তাই তাঁকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয়। এখানে কোনোরকম ঝামেলা হয়নি, আমরা শুধু শৃঙ্খলা মেনে চলেছি।”


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us