Shohini Sengupta: দৌড়ঝাপের যুগেও অতীতকে আঁকড়ে বাঁচেন সোহিনী সেনগুপ্ত, তাঁর মতো বদ অভ্যেস কি আপনারও আছে?

বর্তমান যুগে বাঙালি যখন খুব দ্রুত চলার দৌড়ে নেমে পড়েছে, সব কিছুই দ্রুত করতে হবে। জীবনযাত্রা, কাজকর্ম, এমনকি সম্পর্ক সবকিছুতেই সময়কে হাতছানি দিয়ে এগোতে হয়। এক মুহূর্তও নষ্ট করা যেন অপরাধ।

বর্তমান যুগে বাঙালি যখন খুব দ্রুত চলার দৌড়ে নেমে পড়েছে, সব কিছুই দ্রুত করতে হবে। জীবনযাত্রা, কাজকর্ম, এমনকি সম্পর্ক সবকিছুতেই সময়কে হাতছানি দিয়ে এগোতে হয়। এক মুহূর্তও নষ্ট করা যেন অপরাধ।

author-image
Naikun Nessa
New Update
Shohini Sengupta

অতীতকে আঁকড়ে সোহিনী সেনগুপ্ত...

বর্তমান যুগে বাঙালি যখন খুব দ্রুত চলার দৌড়ে নেমে পড়েছে, সব কিছুই দ্রুত করতে হবে। জীবনযাত্রা, কাজকর্ম, এমনকি সম্পর্ক সবকিছুতেই সময়কে হাতছানি দিয়ে এগোতে হয়। এক মুহূর্তও নষ্ট করা যেন অপরাধ। এমন একটা সময়ে থিয়েটার জগতের একজন শিল্পী   নান্দীকার থিয়েটার গ্রুপের অন্যতম প্রধান মুখ সোহিনী সেনগুপ্ত (Sohini Sengupta) অবাক করে দেওয়ার মতো তাঁর এক বদ অভ্যেসের কথা জানালেন।

Advertisment

বাংলা নাট্যজগতে এক উজ্জ্বল মুখ সোহিনী বলেন, ‘আমি মানুষদের ছেড়ে দিতে পারি না। এটা আমার খুব খারাপ স্বভাব, আমাকে যে যতই কষ্ট দিক! আমি ওই অতীত বা কাউকেই ছেঁড়ে দিতে পারি না। এই যেমন খুব সহজ একটা বিষয়, এখন তো ব্লিনকিটে জিনিসপত্র অর্ডার করলে অনেক সুবিধা হয়, খুব দ্রুত এবং বাইরে না বেরিয়ে পাওয়া হাতে পাওয়া যায়। কিন্তু  আমার মনে হয় যে ‘আহারে ব্রজোটার (বাড়ির কাছের মুদীর দোকানদার) বিক্রি হল না। তখন অনলাইন অর্ডার না করে আমি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আবার তাঁর দোকানে যায়।’ 

সোহিনী সেনগুপ্তের নাট্যজীবন মূলত থিয়েটারের মঞ্চ থেকে শুরু হলেও তিনি সমসাময়িক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিষয়কে তাঁর নাটকে তুলে ধরার জন্য পরিচিত। তিনি বিভিন্ন নাটকে অভিনয় ও পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত থেকে দর্শকদের মনে গভীর ছাপ রেখেছেন। তাঁর অভিনয়শৈলী সাবলীল, স্বাভাবিক এবং চরিত্রের মনের সঙ্গে দর্শককে একাত্ম করার ক্ষমতা রাখেন। শোহিনী শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি একজন নাট্যপরিচালক হিসেবেও সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত।

আরও পড়ুন: ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ জয়ীর আকস্মিক প্রয়াণ, কাঁদছে ভক্তমহল! কী হয়েছিল প্রশান্তের?

নান্দীকারের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারাকে সোহিনী নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছেন। তাঁর অভিনয়ে সংবেদনশীলতা, আধুনিক ভাবনা এবং চরিত্রের গভীরতা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। থিয়েটারের পাশাপাশি তিনি কিছু চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের কাজেও যুক্ত থেকেছেন, তবে মঞ্চই তাঁর আসল ঠিকানা।

আরও পড়ুন: স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের ‘কালীপটকা’, নারীর লড়াইয়ের নতুন অধ্যায়!

নান্দীকার থিয়েটার গ্রুপ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে। রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের নেতৃত্বে এই দল বাংলা থিয়েটারে এক নতুন ধারা তৈরি করে। সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং শৈল্পিক শুদ্ধতাই ছিল নান্দীকারের মূল দর্শন। ‘ভোমা’, ‘তিন পয়সার পালা’, ‘ফুটবল’, ‘নাগমণ্ডল’ প্রভৃতি নাটক নান্দীকারকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয়।

entertainment Entertainment News Entertainment News Today Sohini Sengupta