Naseeruddin Shah: 'জাভেদের চেয়ে অনেক বেশি ওঁর সঙ্গে কাটিয়েছি' , নাসিরুদ্দিনকে নিয়ে সিক্রেট ফাঁস শাবানার

Naseeruddin Shah-Vijay Varma: নাসিরউদ্দিন শাহ ছিলেন ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (FTII)-এর অতিথি শিক্ষক যেখানে বিজয় ভার্মাও পড়াশোনা করেছেন। পুরো দিন বাইরে অপেক্ষা করার পর কী ঘটেছিল?

Naseeruddin Shah-Vijay Varma: নাসিরউদ্দিন শাহ ছিলেন ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (FTII)-এর অতিথি শিক্ষক যেখানে বিজয় ভার্মাও পড়াশোনা করেছেন। পুরো দিন বাইরে অপেক্ষা করার পর কী ঘটেছিল?

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
aewrwe

জাভেদের সঙ্গে তার থেকে অনেক কম সময় কাটিয়েছি: শাবানা

Naseeruddin Shah-Shabana Azmi: সালটা ছিল ২০০৭। সেই বছর শেষবার একসঙ্গে পর্দায় আবির্ভাব হয়েছিল নাসিরউদ্দিন শাহ ও শাবানা আজমির। প্রায় ১৮ বছর আর একসঙ্গে পর্দায় দেখা মেলেনি তাঁদের। কিন্তু, সাত ও আটের র দশকে তাঁরা নিজেদের সঙ্গীর থেকেও বেশি সময় একে অপরের সঙ্গে কাটাতেন। শাবানা বলেন, 'এক সময় আমরা একসঙ্গে ১০টা ছবি করছিলাম। আমি ওঁর (নাসিরউদ্দিন শাহ) সঙ্গে যত সময় কাটাতাম জাভেদের সঙ্গে তার থেকে অনেক কম সময় কাটিয়েছি। আর রত্নাও নাসিরের সঙ্গে আমার চেয়ে অনেক কম সময় কাটাত। সত্যিই জীবন এমনই ছিল।' 

Advertisment

তিনি আরও নিশ্চিত করেছেন যে প্রায় দুই দশক পর তাঁরা আবার একসঙ্গে কাজ করছেন শেখর কপুরের মাসুম: আ নিউ জেনারেশন-এ। যা তাঁর ১৯৮৩ সালের কাল্ট ক্লাসিক মাসুম-এর সিক্যুয়েল। শাবানা আজমি ও নাসিরউদ্দিন শাহ সাতের দশকে ভারতের প্যারালাল সিনেমার অন্যতম কান্ডারি ছিলেন। শ্যাম বেনেগল ও গোবিন্দ নিহালানির মতো পরিচালকের নির্দেশনায় কাজ করেছেন তাঁরা।  

আরও পড়ুন ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থা নিয়ে তুমুল চর্চা, বীরুর খবর শুনে মধ্যরাতে এ কী করলেন 'জয়' অমিতাভ?

Advertisment

শ্যাম বেনেগলের নিশান্ত (১৯৭৫) ও মন্ডি (১৯৮৩), সাই পরাঞ্জপের স্পর্শ (১৯৮০), সঈদ আখতার মির্জার আলবার্ট পিন্টো কো গুস্সা কিউ আতা হ্যায় (১৯৮০), মৃণাল সেনের খান্ধার (১৯৮৪) ও জেনেসিস (১৯৮৬), গৌতম ঘোষের পারের (১৯৮৪), বিদু বিনোদ চোপড়ার খামোশ (১৯৮৬), বিজয়া মেহতার পেস্টনজি (১৯৮৮), এবং গুলজারের লিবাস (১৯৮৮)-এ নাসিরুদ্দিন-শাবানা জুটি ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। 

দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া-র এক সাক্ষাৎকারে শাবানা আজমি প্রশংসা করেছেন কস্টিউম ডিজাইনার থেকে প্রযোজক হওয়া মনিশ মালহোত্রার। তাঁর প্রযোজিত প্রথম ছবি গুস্তাখ ইশক-এ কাজ করার পর মনিশের প্রশংসা করেছেন নাসিরুদ্দিন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিজু শাহ এবং এটি মুক্তি পাবে আগামী ২১ নভেম্বর। 

আরও পড়ুন বিশ্বসেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেও বেকার, পার্টিতে স্টিলের গ্লাসে মদ্যপানে কী ভাবে ভাগ্যবদল অভিনেতার?

মলহোত্রা জানিয়েছেন, নাসিরউদ্দিন শাহ তাঁকে এক বার্তায় বলেছেন, 'তুমি আমার কাজ করা সেরা প্রযোজকদের একজন।' শাবানা বলেন, 'ও (নাসিরউদ্দিন) পঞ্চাশ বছরের কেরিয়ারে এমন কথা কাউকে বলেছে আমি অন্তত শুনিনি। ও খুবই মৃদুভাষী ও স্নেহময়।' অভিনেতা বিজয় ভার্মা, যিনি গুস্তাখ ইশক-এ নাসিরউদ্দিন শাহর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি বলেন, 'ওঁর (নাসিরউদ্দিন শাহ) কাছ থেকে শেখা আমার জীবনের স্বপ্ন ছিল। আমি ২০ বছর বয়স থেকে হিরো হিসেবে পূজা করি। ওঁর সঙ্গে কাজ করতে চেয়েছি, শিক্ষা অর্জনের সুযোগ খুঁজেছি। একবার আমাদের ফিল্ম স্কুলে এসেছিলেন কিন্তু আমি আসার আগেই চলে গিয়েছিলেন।'

নাসিরউদ্দিন শাহ ছিলেন ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (FTII)-এর অতিথি শিক্ষক যেখানে বিজয় ভার্মাও পড়াশোনা করেছেন। বিজয়ের সংযোজন, 'আমি শুনেছিলাম, ওঁর ক্লাসগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। মুম্বই আসার পর শুনেছিলাম পুনেতে ক্লাস নিচ্ছেন। আমি এক বন্ধুর সঙ্গে ভর্তি হতে গিয়েছিলাম কিন্তু তিনি আমাদের নিতে চাননি। কারণ আমরা সিনিয়র ছিলাম। ওঁর মতে, ছাত্রদের মনোযোগ বিঘিন্ন হতে পারে।' 

আরও পড়ুন জারিন খানের শোকসভায় ঢুকতেই ধরাশায়ী জিতেন্দ্র, কেমন আছেন অভিনেতা?

তিনি আরও জানান, 'আমরা পুরো দিন বাইরে অপেক্ষা করেছিলাম। পরে উনি আমাদের দেখে বললেন, 'কাল এসো।' এরপরের দিন আমরা ক্লাসে ঢুকতে পারলাম। শীতের সেই দুই মাস ওঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগেই আমি জীবনে সফল হয়েছি। নিখুঁতভাবে ক্লাস করাতেন আর বলেই দিয়েছিলেন যদি চালাকি করার চেষ্টা করো তাহলে তুমি ধরা পড়ে যাবে।' 

Naseeruddin Shah