/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/10/dhar-2025-11-10-23-11-15.jpg)
হৃদয়ে লেখা নাম
হৃদয়ে লেখা নাম
বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র যিনি 'হি-ম্যান' নামে সকলের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত। যাঁর প্রেমে একসময় মাতোয়ারা ছিল গোটা ভারত। অভিনয়ে আসার আগে তিনি ছিলেন এক সাধারণ, লাজুক স্কুলছাত্র। তারকা তকমা গায়ে লাগার আগেই মনে বাসা বেঁধেছিল এক নিষ্পাপ অনুভূতি। তবে সেই অনুভূতির নাম হেমা মালিনী কিংবা মীনা কুমারী নয়। মন মজেছিল হামিদা-তে। এই নাম কখনও কোনও বিনোদনের খবরে উঠে আসেনি। তবে একটা সময় ধর্মেন্দ্র তাঁর হৃদয়ে লিখেছিলেন এই নামটি।
ধর্মেন্দ্রর প্রথম প্রেম
পুরনো ও আবেগতাড়িত প্রেমকাহিনি প্রকাশ্যে আসে যখন ধর্মেন্দ্র টেলিভিশন শো, দশ কা দম-এ তাঁর শৈশবের প্রেমের স্মৃতিচারণ করেন। সেখানেই তিনি স্কুলজীবনের প্রথম প্রেম নিয়ে খুল্লামখুল্লা কথা বলেছিলেন পর্দার বীরু। পঞ্জাবের সেই সুন্দর দিনগুলো আজও অমলিন ধর্মেন্দ্রর হৃদয়ে।
আরও পড়ুন 'হৃদয়ের দূরত্ব বাড়ছে...', মুক্তি চাইছেন ধর্মেন্দ্র! বর্ষীয়ান অভিনেতার পোস্টে কোন রহস্য?
কে এই হামিদা?
হামিদার সঙ্গে সিনেজগৎ-এর কোনও যোগ নেই। বরং তিনি ছিলেন ধর্মেন্দ্রর দীর্ঘদিনের এক শিক্ষক-এর কন্যা। ধর্মেন্দ্রর থেকে কয়েক বছরের বড় ছিলেন হামিদা। ধর্মেন্দ্রর চোখে তিনি ছিলেন এক সহজ সরল এক নারীর প্রতীক। তাঁর মধ্যেই ধর্মেন্দ্র প্রথমবার উপলব্ধি করেছিলেন প্রেমের মাধুর্য।
নীরব প্রেমের জন্ম
তাঁদের দেখা-সাক্ষাৎ ছিল একেবারে নিঃস্বার্থ ও সরল। হামিদা পড়াশোনায় ধর্মেন্দ্রকে সাহায্য করতেন আর ধর্মেন্দ্র লজ্জা পেয়ে তাঁর হাতে খাতা-কলম তুলে দিতেন। এই ছোট ছোট মুহূর্তের মধ্য দিয়েই জন্ম নিচ্ছিল এক সুন্দর, অথচ নীরব সম্পর্ক। মনের কথা কেউ কাউকে বলতে পারেননি কিন্তু পরস্পরের প্রতি ভালবাসা অনুভব করতেন।
যখন প্রকাশ্যে প্রেমের কাহিনি
একদিন সাহস সঞ্চয় করে ধর্মেন্দ্র নিজের মনের কথা জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। তাও আবার কবিতার মাধ্যমে। সেই কবিতায়ই তিনি হামিদাকে নিজের মনের কথা বলেন। দশ কা দম-এ সেই মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করার সময় করার সময় চোখের ভাষা ও কণ্ঠের কোমলতা বুঝিয়ে দিয়েছিল হামিদা তাঁর জীবনে কতটা বিশেষ ছিলেন।
আরও পড়ুন ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থা নিয়ে তুমুল চর্চা, বীরুর খবর শুনে মধ্যরাতে এ কী করলেন 'জয়' অমিতাভ?
ধর্মেন্দ্র ও হামিদার প্রেমের পরিণতি
তাঁদের প্রেমের গল্পের শেষটা সিনেমার মতোই সুখের ছিল না। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ তাঁদের জীবনের গতিপথ পাল্টে দেয়। অসংখ্য মানুষের মতো ধর্মেন্দ্রও হারান তাঁর প্রথম প্রেমকে। হামিদা পরিবারের সঙ্গে দেশভাগের সময় পাকিস্তানে চলে যান। এরপর ধর্মেন্দ্র আর কখনও তাঁকে দেখতে পাননি।
ধর্মেন্দ্রর জীবনরে গতিপথ
সময়ের পরিক্রমায় ধর্মেন্দ্র হয়ে ওঠেন বলিউডের অন্যতম সেরা সুপারস্টার। তিনি রুপোলি পর্দায় অসংখ্য সুন্দরী অভিনেত্রীর সঙ্গে রোম্যান্স করেছেন। প্রথমে প্রকাশ কৌরকে বিয়ে করেছিলেন পরে হেমা মালিনীর সঙ্গে ঘর বাঁধেন। কিন্তু হামিদার স্মৃতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ তিনি ছিলেন ধর্মেন্দ্রর প্রথম-অপূর্ণ প্রেম।
আরও পড়ুন বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুটিং ফ্লোরে অভিনেতা, ধর্মেন্দ্রর শেষ ছবিতে কী ভাবে অমিতাভ যোগ?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us