/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/01/palash-2025-12-01-17-47-29.jpg)
বিপদে পলাশ...
ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের তারকা স্মৃতি মান্ধানার সঙ্গে, বাগদান ভেঙে যাওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই, ফের বিতর্কে জড়ালেন সুরকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা পলাশ মুছল। মহারাষ্ট্রের সাংলিতে, ৪০ লক্ষ টাকার আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও তথ্যগতভাবে ভুল বলে দাবি করেছেন পলাশ নিজেই।
শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি দিয়ে, পলাশ মুছল অভিযোগগুলি জোরালোভাবে অস্বীকার করেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, “সাংলিভিত্তিক প্রযোজক বিদ্যন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের বিদ্বেষপূর্ণ প্রচার চালানো হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, তাঁর আইনজীবী শ্রেয়াংশ মিথারে ইতিমধ্যেই সমস্ত আইনি দিক খতিয়ে দেখছেন এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টির মোকাবিলা করা হবে।
চিংড়ি মালাইকারীর প্রেমে কাজল, বাঙালি স্বাদে মুগ্ধ অভিনেত্রী!
অন্যদিকে, সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩৪ বছর বয়সী অভিনেতা ও প্রযোজক বিদ্যন মানে, মহারাষ্ট্রের সাংলি জেলার পুলিশের কাছে পলাশের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পলাশ তাঁকে একটি আসন্ন চলচ্চিত্র প্রকল্পে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন এবং লাভের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে এখনও পর্যন্ত এই মামলায় কোনও এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়নি। সাংলি পুলিশ সুপারের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্ত চলছে।
বিদ্যনের অভিযোগ, ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর সাংলিতে, পলাশের সঙ্গে তাঁর প্রথম সাক্ষাৎ হয়। সেই সময় পলাশ তাঁর আসন্ন ছবি ‘নাজারিয়া’-তে প্রযোজক হিসেবে বিনিয়োগের প্রস্তাব দেন। দাবি করা হয়, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবি মুক্তির পর, ২৫ লক্ষ টাকা বিনিয়োগে ১২ লক্ষ টাকা লাভের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। এমনকি ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার কথাও বলা হয়।
Border 2 Review: তিন দশক পর যুদ্ধের নতুন সংজ্ঞা: কেমন হলো বর্ডার ২? সম্পূর্ণ রিভিউ
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রাক্তন বাগদত্তা স্মৃতি মান্ধানার বাবার মাধ্যমে, প্রথম পলাশের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরবর্তী কয়েক মাসে দু’জনের একাধিকবার দেখা হয় এবং ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত ধাপে ধাপে মোট ৪০ লক্ষ টাকা পলাশকে দেন বিদ্যন। কিন্তু প্রকল্পটি বাস্তবায়িত না হওয়ায়, টাকা ফেরত চাইলে কোনও সাড়া মেলেনি। বাধ্য হয়েই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। বর্তমানে গোটা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us