/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/14/palash-muchhal-2026-02-14-15-58-49.jpg)
পলাশ মুচ্ছল বিতর্কে নতুন মোড়!
গায়ক-সুরকার পলাশ মুচ্ছল (Palash Muchhal) সম্প্রতি ফের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটার স্মৃতি মন্ধানা-র সঙ্গে তাঁর বিয়েভঙ্গের ঘটনার পর থেকেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসে। প্রথমে গুঞ্জন ছড়ায়, ব্যক্তিগত সম্পর্কে অবিশ্বস্ততার কারণেই নাকি বিয়ে ভেঙে যায়। এরপরই আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তোলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক বিদ্ঞান মানে।
অভিযোগ, একটি মুক্তি না-পাওয়া ছবিতে বিনিয়োগের নাম করে পলাশ তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। এই আর্থিক বিরোধ নিয়েই বিদ্ঞান পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ জানানোর কিছুদিন পর তিনি সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলে পলাশের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিস্ফোরক দাবি করেন, যা বিতর্ক আরও বাড়িয়ে দেয়।
এবার সেই মন্তব্য নিয়েই হস্তক্ষেপ করল বম্বে হাইকোর্ট। সংবাদসংস্থা পিটিআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদালত বিদ্ঞান মানেকে পলাশের বিরুদ্ধে মানহানিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি মিলিন্দ জাধব-এর বেঞ্চ ১১ ফেব্রুয়ারি জানায়, তাঁর করা মন্তব্যগুলি “প্রাইমা ফেসি ইঙ্গিতপূর্ণ এবং স্বভাবতই মানহানিকর”।
আদালত স্পষ্ট জানায়, সাক্ষাৎকারে করা যে ধরনের ইঙ্গিত ও অভিযোগ পলাশ এবং তাঁর পরিবারকে উদ্দেশ্য করে করা হয়েছে, তা থেকে বিরত থাকতে হবে বিদ্ঞানকে। পলাশের আইনজীবীরা আদালতে জানান, দু’পক্ষের মধ্যে মূলত একটি বাণিজ্যিক বিরোধ রয়েছে। ২৩ নভেম্বর ২০২৫ যেদিন পলাশ ও স্মৃতির বিয়ে হওয়ার কথা ছিল, সেই দিনের একটি কথিত ঘটনার উল্লেখ করে বিদ্ঞান যে মন্তব্য করেছেন, তা পলাশের পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সুনামেও আঘাত করেছে।
বিচারপতি জাধব পর্যবেক্ষণে বলেন, বিয়ের আগের ব্যক্তিগত কোনও ঘটনার উল্লেখ চলতি আর্থিক মামলার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নয় এবং এতে বাদীপক্ষের পরিবারের বিরুদ্ধে সরাসরি ইঙ্গিত রয়েছে।
এর আগে হিন্দুস্তান টাইমস-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিদ্ঞান দাবি করেছিলেন, বিয়ের অনুষ্ঠানের দিন তিনি নাকি পলাশকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছেন এবং পরিস্থিতি ‘ভয়াবহ’ হয়ে উঠেছিল। এমনকি ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটাররা তাঁকে মারধরও করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই দাবিকে পলাশের আইনজীবী সম্পূর্ণ ভিত্তিহী বলে উড়িয়ে দেন এবং প্রমাণ হাজির করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
আরও পড়ুন: পারফেক্ট প্রেম ভেবেই বড় ধাক্কা! প্রতারণার ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ফাঁস করলেন শানায়া কাপুর
অন্যদিকে আর্থিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু ছবিটি হল নজরিয়া, যার ঘোষণা হয়েছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে। বিদ্ঞান দাবি করেন, ২০২৫ সালের মার্চের মধ্যে তিনি মোট ৪০ লক্ষ টাকা দেন, কিন্তু ছবি সম্পূর্ণ হয়নি এবং টাকা ফেরতও পাননি। পরে বাধ্য হয়েই তিনি আইনি পথে হাঁটেন।
বর্তমানে আর্থিক বিরোধ সংক্রান্ত মামলা বিচারাধীন, আর ব্যক্তিগত মানহানিকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকার নির্দেশ জারি রেখেছে আদালত।
আরও পড়ুন: শুটিং ফ্লোরে প্রেম! ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে পরিণয়, রণজয়-শ্যামৌপ্তির বিয়েতে চমক
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us