/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/02/pallavi-2026-03-02-16-13-53.jpeg)
নিজের শর্তে বাঁচেন পল্লবী শর্মা?
টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনদর্শন ও ব্যক্তিগত ভাবনার কথা খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, বর্তমান সময়ে মানুষের জীবন এতটাই ব্যস্ততা আর প্রতিযোগিতায় ভরা যে অনেকেই থেমে ভাবার সুযোগই পান না, আসলে তাঁরা কী করছেন, কেন করছেন কিংবা জীবনে সত্যিই কী চান। তাঁর মতে, বেশিরভাগ মানুষই যেন ভিড়ের সঙ্গে দৌড়ে চলেছেন, কারণ অন্যরা দৌড়চ্ছে বলেই তাঁরাও দৌড়তে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু এই মানসিকতায় তিনি বিশ্বাসী নন।
পল্লবীর কথায়, জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নিজের ভালো থাকা। ক্যারিয়ার, তারকাখ্যাতি কিংবা জীবনের অন্যান্য অর্জনের থেকেও তাঁর কাছে নিজের মানসিক শান্তি ও স্বস্তি অনেক বেশি মূল্যবান। তিনি মনে করেন, যদি মানুষ নিজের ভালো থাকার বিষয়টিকেই প্রাধান্য দেয়, তাহলে জীবনের অনেক জটিলতা সহজ হয়ে যায়।
অভিনেত্রী জানান, খুব ছোট বয়সেই তিনি জীবনের বড় ধাক্কার মুখোমুখি হয়েছেন। অল্প বয়সেই বাবা-মাকে হারানোর অভিজ্ঞতা তাঁকে দ্রুত পরিণত করে তুলেছে। সেই কারণেই হয়তো ছোটবেলা থেকেই তিনি বুঝে গিয়েছিলেন জীবনে ঠিক কী চাই এবং কোন জিনিসগুলো তাঁকে সত্যিকারের সুখ ও শান্তি দেয়। তিনি বলেন, কোন কাজ করলে তাঁর মন ভালো থাকে এবং জীবনে প্রশান্তি আসে সেই পথকেই তিনি সবসময় অনুসরণ করার চেষ্টা করেন।
পল্লবীর মতে, তাঁর এই স্বভাবের কারণে অনেকেই তাঁকে ‘মুডি’ বলে মনে করতে পারেন। তবে এ নিয়ে তাঁর কোনো আপত্তি বা অস্বস্তি নেই। তিনি বিশ্বাস করেন, প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার রয়েছে। তাই অন্যদের মন রক্ষা করার জন্য নিজের স্বাভাবিক সত্তাকে বদলে ফেলতে তিনি রাজি নন।
আরও পড়ুন: দুবাইয়ে আটকে একঝাঁক ভারতীয় তারকা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তুঙ্গে
তিনি আরও বলেন, অনেক মানুষ একা থাকতে ভয় পান বলেই সবসময় সবার মন জুগিয়ে চলার চেষ্টা করেন। তারা মনে করেন, এতে একাকিত্বের অনুভূতি কমে যাবে। কিন্তু পল্লবীর ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি কখনও একাকিত্বকে ভয় পাননি। তাঁর মতে, একা ভালো থাকতে পারা মানেই অসামাজিক হওয়া নয়। বরং প্রত্যেক মানুষের জীবনে একটি ব্যক্তিগত পরিসর বা ‘নিজস্ব স্পেস’ থাকা অত্যন্ত জরুরি।
আরও পড়ুন: ইডেনে নজর কাড়লেন যশ-নুসরত, উপস্থিত ছিলেন আর কোন কোন তারকা?
এই কারণেই তিনি নিজের জীবনে সেই ব্যক্তিগত পরিসর সবসময় বজায় রাখার চেষ্টা করেন। তাঁর বিশ্বাস, নিজের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নিজের মনকে বোঝা-এই দুটো বিষয়ই মানুষকে সত্যিকারের শান্তি ও সুখের দিকে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’, একে অপরকে ভালোবাসার কথা বললেন দেব-রুক্মিণী!
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us