/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/10/hgmtz4fYudZsIVeOCOGc.jpg)
প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ...
দীর্ঘ পাঁচ দশক জুড়ে সিনে ও টেলিভিশনে অভিনয় করে যাওয়া অভিজ্ঞ অভিনেতা আর নেই। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে দ্য হ্যাঙ্গওভার, নরবিট, ডগ ডে আফটারনুন, ব্লাডব্রাদার্স এবং সুপার ফ্লাই। টেলিভিশনে তিনি অভিনয় করেছেন মেলরোজ প্লেস, মার্ডার, শি রোট, কোজাক, স্টার্সকি অ্যান্ড হাচ, বেওয়াচ এবং ডেজ অব আওয়ার লাইভস-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা গিয়েছ।
রবিবার পরিবার পরিজনের ঘিরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জনপ্রিয় অভিনেতা ফ্লয়েড লেভিন। মঙ্গলবার এক আবেগঘন ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তাঁর পুত্রবধূ ট্রেসি রবিন্স (যিনি লেভিনের ছেলে ও প্রাক্তন প্যারামাউন্ট নির্বাহী ব্রায়ান রবিন্সের স্ত্রী) স্মৃতিচারণা করে লিখেছেন, লেভিন ছিলেন “সেরা শ্বশুর, দাদু এবং সব মিলিয়ে এক দারুণ রসিক মানুষ। তিনি আরও মজার ছলে যোগ করেছেন, শেষ মুহূর্তে হয়তো লেভিন “এক গ্লাস মার্টিনি চেয়েছিলেন।”
সত্তরের দশকের শুরুতে ফ্লয়েড লেভিন অভিনয় জগতে পা রাখেন এবং প্রায় একশোটি প্রযোজনায় কাজ করেন। বেশিরভাগ সময়ে তিনি গোয়েন্দা, ডাক্তার, পুলিশ কর্মকর্তা থেকে শুরু করে অপরাধ জগতের নানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর।
নিউইয়র্ক সিটির এক প্রাক্তন ট্যাক্সিচালক লেভিন, তাঁর ছেলে ব্রায়ানের সঙ্গে বেশ কয়েকটি প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের সহযোগিতায় তৈরি হয়েছিল এডি মারফি অভিনীত নরবিট, মিট ডেভ এবং আ থাউজ্যান্ড ওয়ার্ডস। এছাড়াও বাবা-ছেলে দু’জনই একসঙ্গে অভিনয় করেছেন আর্চি ব্যাংকার’স প্লেস এবং হেড অব দ্য ক্লাস-এ। প্রযোজনার ক্ষেত্রেও তাঁরা একসঙ্গে যুক্ত ছিলেন গুড বার্গার, কেনান অ্যান্ড কেল এবং কোচ কার্টার-এ।
প্রিয়জনদের উদ্দেশে রেখে যাওয়া এক ভিডিও বার্তায় লেভিন বলেন: “তোমরা সবাই আমার জীবনকে মিষ্টি করে তুলেছ, আমি তোমাদের ভীষণ ভালোবাসি। যদি পারতাম, তোমাদের জড়িয়ে ধরতাম আর চুমু খেতাম। ঈশ্বর তোমাদের মঙ্গল করুন — আর লড়াই চালিয়ে যাও।”