/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/06/prosenjit.jpg)
প্রসেনজিৎকে চরম কটাক্ষ রানা সরকার
ফের টলিপাড়ায় প্রযোজক-অভিনেতা সংঘাত! "খুকুরা এল না। শ্মশানের ডোম হওয়ার থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচান.." প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে চরম কটাক্ষ প্রযোজক রানা সরকারের।
সদ্য মুক্তি পেয়েছে 'আয় খুকু আয়'। প্রসেনজিতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সিনে-সমালোচকরা। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) মানেই ‘ইন্ডাস্ট্রি’। টলিপাড়া তো বটেই এমনকী আমজনতাদের মুখেও শোনা যায় এমন কথা। উত্তম কুমারের পর টলিউডের বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি মহানায়ক-সম। গত ৩০ বছর ধরে প্রসেজিৎ একাই ইন্ডাস্ট্রিকে ধরে রেখেছেন- এমন ধারণা বদ্ধমূল। যা নিয়ে তর্ক-বিতর্কও কম হয়নি। আর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমায় দু'রকম চরিত্রে অভিনয় করে, বিশেষত নন-গ্ল্যামারাস অবতারে ধরা দিয়ে নজর কেড়েছেন প্রসেনজিৎ। এবার সেই প্রেক্ষিতেই কটুক্তি করলেন রানা সরকার।
চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করলেন 'ইন্ডাস্ট্রি'কে। তাও আবার প্রকাশ্যেই। ফেসবুকে লিখলেন, "এতো করে ডাকলো তবু খোকা খুকুরা হলে এলো না। এতবার বলল পাশে দাঁড়ান পাশে দাঁড়ান তবু টিকিট কাউন্টারের সামনে কেউ দাঁড়ালো না। দু'জন সুপারস্টারের উদ্যোগ। একজন স্টার নায়ক। অন্য একজন প্রযোজক। একজন বিনিয়োগ করলেন লাভের আশা নিয়ে। অন্যজন মাথার চুল পর্যন্ত জলাঞ্জলি দিয়ে সর্বস্ব ত্যাগ করে বাংলা সিনেমাকে একা টেনে নিয়ে যাওয়ার শেষ চেষ্টা করলেন। তবুও খোকা-খুকুরা হলে এল না।" প্রযোজকের সপাট মন্তব্য, "আমিই ইন্ডাস্ট্রি এই ফর্মূলা আর চলছে না। দর্শকরা দেবের সিনেমা দেখতে হলে ভিড় করলেও জিৎ-প্রসেনজিতের সিনেমা কোথায় চলছে?"
<আরও পড়ুন: গায়ত্রী-ঊর্মি সংঘাত! মামনির মুখোশ খুলে দিতে কোন পদক্ষেপ নেবে সে, দেখুন>
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/06/rana.jpg)
এখানেই অবশ্য থামেননি রানা সরকার। বুম্বাকে বিঁধে তাঁর মন্তব্য, "এভাবে কী করে চলবে বলুন তো? একজন ৩০ বছর ধরে একা টানার পর যদি তার 'আয় আয়' ডাকে আপনারা সাড়া না দেন তাহলে তো উনি ঠিকই বলেছিলেন যে 'ইন্ডাস্ট্রি শ্মশান হয়ে যাবে'। এখনও সময় আছে। আগামী ৩ দিন সব সিনেমাহল ভর্তি করে ওনার সিনেমাটিকে 'সুপারফ্লপ' তকমা থেকে বাঁচান। নইলে আমার কথা মিলে যাবে, সৃজিত, শিবু-নন্দিতা আর অতনু ঘোষের নির্দেশনার ছবি ছাড়া 'ইন্ডাস্ট্রি'র ছবি দেখতে বাঙালি আর ইন্টারেস্টেড না। শ্মশান হয়ে গেলে আবার খুব মুশকিল, ডোম হওয়ার জন্য দ্বিতীয় কোনও উপযুক্ত প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাবে না। অনুরোধ করছি সিনেমা হলে যান। শ্মশান হওয়ার হাত থেকে 'ইন্ডাস্ট্রি'-কে বাঁচান।"
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন