/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/19/radhika-apte-1-2025-12-19-22-14-54.jpg)
কী বললেন রাধিকা?
রাধিকা আপ্তে সম্প্রতি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর দুই দশকের সফর পূর্ণ করেছেন। আজ তিনি কী করবেন আর কী করবেন না- সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ও স্পষ্ট হলেও, কেরিয়ারের শুরুর দিকের কিছু অভিজ্ঞতা এখনও তাঁকে শিউরে উঠতে বাধ্য করে। বিশেষ করে, কাজের প্রয়োজনে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তা ভাবলে আজও তাঁর অস্বস্তি হয়।
একটি আলোচনায় রাধিকা জানান, তিনি খুব বেশি তথাকথিত “বড়” হিন্দি ছবিতে কাজ করেননি। কিছু প্রস্তাব এসেছিল ঠিকই, কিন্তু সেই সব মানুষের সঙ্গে দেখা করার পর তাঁদের আচরণ ও মনোভাব বুঝে, তিনি নিজেই সরে দাঁড়ান। রাধিকার কথায়, “ওরা ভয়ঙ্কর মানুষ। খুব প্রভাবশালী। আমি তখনই ঠিক করেছিলাম, এদের সঙ্গে আর কখনও কাজ করব না।”
২০২৫ বাংলা সিনেমা: হিট কম, আলোচনা বেশি- কোন ছবিগুলি সত্যিই মন জয় করল?
তবে অর্থের প্রয়োজন তাঁকে দক্ষিণী ছবির দিকে ঠেলে দেয়। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা ছিল আরও কঠিন। রাধিকা স্মরণ করেন, একটি শুটিংয়ে তিনি ছিলেন সেটের একমাত্র মহিলা। কোনও ম্যানেজার বা এজেন্ট ছিল না, এমনকি নিজের টিম রাখার অনুমতিও পাননি। পুরো দলটাই ছিল পুরুষদের নিয়ে গঠিত। সেই পরিবেশেই তাঁর শরীর নিয়ে মন্তব্য করা হতো, এমনকি চরিত্রের জন্য তাঁর শরীরে অতিরিক্ত প্যাডিং যোগ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। রাধিকা বলেন, এই সব কিছুই ছিল চরম অস্বস্তিকর এবং অপমানজনক।
নিজেকে সাধারণত স্পষ্টভাষী ও সাহসী মনে করলেও, সেই দিনগুলোর কথা ভাবলে আজও তাঁর বুক কেঁপে ওঠে। “আমি আর কখনও এমন পরিস্থিতিতে পড়তে চাই না। এটা ভীষণ বেদনাদায়ক ছিল। কোনও মহিলারই এমন অবস্থার মধ্যে পড়া উচিত নয়,” বলেন অভিনেত্রী। তিনি আরও জানান, আজও বড় বড় ছবিতে যেভাবে নারীদের উপস্থাপন করা হয়, তা তাঁকে গভীরভাবে বিরক্ত করে।
তবে এই সংস্কৃতির জন্য শুধু পুরুষদের দোষ দেন না রাধিকা। তাঁর মতে, অনেক নারী ক্ষমতায় থেকেও পরিবর্তন আনার চেষ্টা করেন না, যা আরও হতাশাজনক। কাজের বাইরে রাজনৈতিক ও আদর্শগত অবস্থান বোঝা নিয়েও, ইন্ডাস্ট্রির অনেকের সঙ্গে দূরত্ব অনুভব করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, রাধিকাকে সম্প্রতি তিসকা চোপড়ার পরিচালনায় ‘সালি মোহাব্বত’-এ দেখা গেছে। দিব্যেন্দু শর্মা অভিনীত এই ছবি বর্তমানে ZEE5-এ স্ট্রিমিং হচ্ছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us