/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/11/rajo-2026-02-11-14-25-08.jpg)
কী জানা যাচ্ছে?
চেক বাউন্স মামলায় জামিনের আবেদনের শুনানিতে, বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদবের বিরুদ্ধে কড়া পর্যবেক্ষণ করল দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি স্বরণা কান্ত শর্মা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, আদালতে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করায় অভিনেতা নিজেই নিজের অবস্থান দুর্বল করেছেন। মামলাটি আপাতত সোমবার পর্যন্ত মুলতুবি রাখা হয়েছে এবং অভিযোগকারী পক্ষকে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুনানির সময় বিচারপতি শর্মা বলেন, “আপনি জেলে গেছেন কারণ আপনি নিজের প্রতিশ্রুতির প্রতি সম্মান দেখাননি।” আদালতের পর্যবেক্ষণ, অন্তত দুই ডজন বার রাজপাল অভিযোগকারীকে টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সেই অর্থ জমা পড়েনি। এর আগে তাঁর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, অভিযোগকারীকে সরাসরি অর্থ প্রদান করা হবে। পরে আবার বলা হয়, টাকা আদালতে জমা দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি মন্তব্য করেন, “আপনাদের আগে মন স্থির করতে হবে।”
Prosenjit Chatterjee-Rani Mukherjee: প্রসেনজিৎ-কে বিয়ে করতে চাইতেন রানী! স্মৃতিচারণায় আবেগী বুম্বা
রাজপালের আইনজীবী আদালতে জানান, তিনি অভিনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি, তবে জামিনের আবেদন দাখিল করেছেন। পরিবারের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করে জামিন চাওয়া হয়েছে। আদালত মামলাটি সোমবার পর্যন্ত স্থগিত রেখে, অভিযোগকারীকে লিখিত জবাব জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
এই আইনি জটিলতার সূত্রপাত ২০১০ সালে। পরিচালনায় আত্মপ্রকাশের জন্য রাজপাল ৫ কোটি টাকা নেন বলে অভিযোগ। ছবিটি বক্স অফিসে ব্যর্থ হলে আর্থিক সঙ্কট তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে বকেয়া টাকার পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৯ কোটিতে পৌঁছেছে বলে জানা যায়। ২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টে তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী রাধা যাদবকে দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়। ২০২৪ সালে হাইকোর্ট শর্তসাপেক্ষে দণ্ড স্থগিত করলেও বকেয়া পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।
এদিকে, তিহার জেলে আত্মসমর্পণের পর চলচ্চিত্র জগতের বহু তারকা সমর্থন জানিয়েছেন। রাজপালের ম্যানেজার গোল্ডি বলেন, “সালমান খান, অজয় দেবগন, সোনু সুদ, ডেভিড ধাওয়ান, বরুণ ধাওয়ান—অনেকে ফোন করে সমর্থন জানিয়েছেন। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে।”
তবে রাজপাল যাদব নিজের বক্তব্যে দাবি করেছেন, “এটি ঋণ নয়, এক ব্যবসায়ীর বিনিয়োগ ছিল। আমি কোনও সুদ দিইনি। মামলাটি বিচারাধীন, আদালতই সত্য নির্ধারণ করবে।” সব মিলিয়ে, আইনি লড়াই ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে চাপে রয়েছেন অভিনেতা। এখন আদালতের পরবর্তী নির্দেশের দিকেই তাকিয়ে সকলেই।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us