/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/01/rash1-2026-03-01-14-01-20.png)
যা আয়োজন করলেন তাঁরা...
রশ্মিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার বিয়ে ছিল একান্ত ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ আয়োজন। ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে, পরিবার ও নিকটজনদের উপস্থিতিতে তাঁরা গাঁটছড়া বাঁধেন। কিন্তু সেই অন্তরঙ্গ অনুষ্ঠানই অল্প সময়ের মধ্যে দেশজুড়ে এক আনন্দোৎসবে পরিণত হয়েছে। নবদম্পতি শুধু নিজেদের পরিবারেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং সারা ভারতের ভক্তদের সঙ্গেও তাঁদের সুখ ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিয়ের পর একটি যৌথ বার্তায় তাঁরা জানান, “আমাদের জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তে আপনারা যে ভালোবাসা ও আশীর্বাদ দিয়েছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। সেই আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই।” সেই ভাবনা থেকেই ১ মার্চ দেশের বিভিন্ন বড় শহরে মিষ্টি বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হায়দরাবাদ, মুম্বাই, দিল্লি, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু ও আহমেদাবাদ- এই ছয়টি শহরে বিশেষভাবে সাজানো ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে মিষ্টি। তাঁদের মতে, “যাঁরা আমাদের এই পথচলায় সঙ্গ দিয়েছেন, তাঁরা যেন এই উদযাপনের অংশ অনুভব করেন।”
Anirban Bhattacharya: অর্থকষ্টের ইঙ্গিত? বয়কট বিতর্কের মাঝেই দৃঢ় অনির্বাণ, “খেতে পাচ্ছি"
শুধু মিষ্টি বিতরণেই থেমে থাকেননি তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে পাওয়া ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে রশ্মিকা ও বিজয় দেশের ১৬টি মন্দিরে ‘অন্নদানম’-এর আয়োজন করেছেন। কর্ণাটকের শিবহম মন্দির ও শ্রী চামুন্ডেশ্বরী মন্দির, উত্তর প্রদেশের বৃন্দাবনের শ্রী শ্রীকৃষ্ণ বলরাম মন্দির, রাজস্থানের গোবিন্দ দেবজি মন্দির, অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রী কনকদুর্গা মন্দিরসহ বিভিন্ন রাজ্যের উল্লেখযোগ্য মন্দিরে এই পবিত্র ভোগ বিতরণ হবে। তাঁদের কথায়, “এই উদ্যোগ আমাদের কৃতজ্ঞতার ছোট্ট প্রকাশ।”
Dev-North Bengal: উত্তরবঙ্গে দেবকে দেখতে লাগামছাড়া ভিড়! পরিস্থিতি সামলাতে তৎপর অভিনেতা
বিয়ের অনুষ্ঠানও ছিল দুই পরিবারের ঐতিহ্যের সুন্দর মেলবন্ধন। সকালে তেলুগু হিন্দু রীতিতে বিজয়ের পারিবারিক ঐতিহ্য মেনে বিয়ে সম্পন্ন হয়। সন্ধ্যায় রশ্মিকার শিকড়কে সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী কোডাভা রীতি। সেই অনুষ্ঠানে কনে পরেছিলেন শাশুড়ির উপহার দেওয়া বিশেষ শাড়ি। বিয়ের মুহূর্তে দু’জনের অশ্রুসিক্ত চোখ ও হাসিমুখের ছবি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে, এসবের মধ্যে বাদ পড়েছে বাংলা। যেখানে অসম এবং বিহারের একটি মন্দিরে অন্নদানম ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেখানে বাংলা কেন বাদ গেল, এই প্রশ্ন থেকেই যায়।
সম্প্রতি একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা বিয়ের অদেখা কিছু ছবি প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা গেছে, পালকিতে বসে আছেন রশ্মিকা, আর হাতে তলোয়ার নিয়ে রাজকীয় বেশে বিজয়। আয়োজকদের বক্তব্য, “বিয়ের প্রতিটি সাজসজ্জা ও নান্দনিক উপাদান এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে সমসাময়িক আবহের সঙ্গে সমৃদ্ধ ভারতীয় ঐতিহ্যকে একত্রে তুলে ধরা যায়।”
সব মিলিয়ে, এই বিয়ে শুধু দুই তারকার ব্যক্তিগত বন্ধন নয়, বরং ভক্তদের সঙ্গে এক আন্তরিক আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us