/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/09/saif-ali-khan-amrita-singh-2026-02-09-11-30-45.jpg)
কেন চিন্তিত ছিলেন সইফ আলি খান?
বলিউডে বহু বিচ্ছেদের গল্প সময়ের সঙ্গে ম্লান হয়ে গেলেও অমৃতা সিং ও সইফ আলি খানের প্রেম, বিয়ে এবং বিচ্ছেদ আজও ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ১২ বছরের বয়সের পার্থক্য, যেখানে সইফ ছিলেন অমৃতার চেয়ে ছোট, তখনকার সময়ে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছিল। এর পাশাপাশি তাঁদের ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও কম প্রশ্ন ওঠেনি।
অমৃতার পরিবার ছিল বহুধর্মীয়, মা রুখসানা সুলতানা মুসলিম সমাজসেবী, আর বাবা শিবিন্দর সিং বির্ক ছিলেন পাঞ্জাবি জাট শিখ ও সেনা অফিসার। অন্যদিকে সইফ আলি খান পাতৌদি রাজপরিবারের সন্তান। তাঁর মা শর্মিলা ঠাকুর বিয়ের পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তবে সইফ একাধিক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি কখনও অমৃতাকে ইসলাম গ্রহণের জন্য চাপ দেননি।
রাহুল রাওয়াইলের একটি ছবির সেটে তাঁদের পরিচয়, সেখান থেকেই প্রেম। এক ডিনার ডেটের পর সম্পর্ক দ্রুত গভীর হয়। সিমি গারেওয়ালের অনুষ্ঠানে সইফ বলেছিলেন, সেই রাতের পর তিনি আর অমৃতার বাড়ি ছেড়ে যাননি, যদিও আলাদা ঘরে থাকতেন। অল্পদিনের মধ্যেই হঠাৎ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন দু’জনে।
ডিজাইনার আবু জানি ও সন্দীপ খোসলা পরে জানান, বন্ধুর অ্যাপার্টমেন্টে তড়িঘড়ি করে নিকাহ সম্পন্ন হয়। সেখানে একজন মৌলভি ও এক শিখ পুরোহিত দু’ধরনের আচারই পালন করা হয়। নিকাহের সময় অমৃতার নাম রাখা হয় ‘আজিজা’ যদিও তা ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতার অংশ।
বিয়ের পরও ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় ছিল। সইফ বলেন, “ডিঙ্গি (অমৃতা) কখনও ইসলাম গ্রহণে বাধ্য হয়নি, না তাঁকে কোনও ধর্ম মানতে বলা হয়েছে। আমরা শুরু থেকেই ঠিক করেছিলাম, যার যার ধর্ম তাঁর তাঁর।” অমৃতা গুরদ্বারায় প্রার্থনায় গেলে সইফ সন্তান সারা ও ইব্রাহিমকে দেখাশোনা করতেন।
আরও পড়ুন: সারপ্রাইজ! কলকাতার মঞ্চে ফিরলেন অরিজিৎ সিং, আবেগে ভাসল নেতাজি ইন্ডোর
তবে বিচ্ছেদের পর একটাই দুশ্চিন্তা ছিল সইফের, সন্তানদের ইসলামিক শিকড় জানা। কারণ তখন তাঁরা অমৃতার কাছেই থাকত। যদিও তিনি বিশ্বাস করতেন, অমৃতা কখনও ধর্ম নিয়ে সন্তানদের প্রভাবিত করবেন না।
আরও পড়ুন: অরিজিৎ-আমির ইস্যুতে চাপের মুখে কলেজ অধ্যক্ষ! কেন মুছে ফেললেন ভিডিও?
অন্যদিকে সারা আলি খান নিজেও স্বীকার করেছেন, ছোটবেলায় নিজের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত ছিলেন। বিভিন্ন পদবি ও পরিচয়ের মধ্যে তিনি মাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আমি কী?” উত্তরে অমৃতা বলেছিলেন, “তুমি ভারতীয়।” সেই উত্তর আজও সারার জীবনের বড় শিক্ষা।
আরও পড়ুন: এক মঞ্চে শুভশ্রী-মিমি-জয়া, ‘মালা রে’ গানে রঙিন সন্ধ্যা
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us