/indian-express-bangla/media/media_files/2025/05/21/bWbqAo5v8Yjd88OlTlPH.png)
যা বললেন অর্চনা... Photograph: (Instagram)
২০২৫ সালটা কৌতুকাভিনেতা সময় রায়নার জীবনে সহজ ছিল না। জনপ্রিয় শো ‘ইন্ডিয়া’স গট ল্যাটেন্ট’ ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক তাঁকে এক সময় প্রবল চাপে ফেলে দেয়। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে মূলধারার আলোচনায়—সময়কে নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে যায়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। বছরের শেষ ভাগে তিনি শুধু ভারতেই নয়, দেশের বাইরেও একের পর এক প্যাকড লাইভ শো করেন। কয়েক মাসের মধ্যেই বিতর্ক যেন ধীরে ধীরে অতীতে পরিণত হয়।
এই পুরো অধ্যায়টিকে সময় এখন দেখেন একধরনের হাস্যরসের চোখে। সম্প্রতি তিনি অভিনেত্রী অর্চনা পুরান সিংয়ের সঙ্গে একটি ভিডিও শুটে অংশ নেন, যা প্রকাশিত হয় অর্চনার ছেলে আর্যমান শেঠির ইউটিউব চ্যানেলে। শুটিংয়ের পর ক্যামেরার বাইরেও ধরা পড়ে একেবারে স্বচ্ছন্দ, মজার মুহূর্ত।
শুট শেষ হলে অর্চনা এবং তাঁর দুই ছেলে—আর্যমান ও আয়ুষ্মান—সময়ের বিলাসবহুল গাড়িটি দেখে রীতিমতো মুগ্ধ হয়ে যান। গাড়ির ভিতরে থাকা সিট ম্যাসাজার, আরামদায়ক রিক্লাইনার এবং প্রশস্ত লেগ স্পেস দেখে অর্চনার বিস্ময় চেপে রাখা যায়নি। সেই সময়ই সময় রায়না মজা করে বলেন, “একটা বাটলারই শুধু কম আছে- অর্ডার নেওয়ার জন্য।” অর্চনা হাসতে হাসতে বলেন, “এখন তো আমাকে এটা কিনতেই হবে।” উত্তরে সময় বলেন, “তুমি তো চারটে কিনতে পারো।” সঙ্গে সঙ্গে আয়ুষ্মান ঠাট্টা করে যোগ করেন, “এর জন্য কিন্তু আগে বাতিল হতে হবে।”
অর্চনা সময়ের সাফল্য স্বীকার করে বলেন, “তোমাকে ল্যাটেন্ট-এর মতো বড় শো করতে হবে।” সময় যখন কপিল শর্মার অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ তোলেন, অর্চনা দ্রুত বলেন, “ওখানে কপিল টাকা কামায়, আমি না।” তখন সময় মুচকি হেসে পাল্টা বলেন, “কিন্তু আপনি সেখানে বাতিলও হতে পারেন।” সময় আরও বলেন, একদিন তিনি এমন জায়গায় পৌঁছাতে চান, যেখানে অর্চনার মতো শুধুমাত্র হাসলেই অর্থ আসে।
এরপর তারা পৌঁছন সময়ের বাড়িতে। সেখান থেকে একটি হোম ট্যুর দেখানো হয় ভ্লগে। পরে আর্যমান ও আয়ুষ্মান সময়ের সঙ্গে প্যাডেল খেলতে যান। সেই সময় সময় তাঁর এক বন্ধুর সঙ্গে আর্যমানকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে মজা করে বলেন, “এই হল অর্চনা ম্যামের ছেলে- এটাই এখন ওর একমাত্র পরিচয়।”
ভ্লগের শেষ অংশে আর্যমান সময় রায়নাকে বর্ণনা করেন এক “ভালো মানুষ” হিসেবে। তাঁর কথায়, সময় সিনেমা বা টিভি শো দেখেন না। তিনি বিশ্বাস করেন মুহূর্তে বেঁচে থাকতে—গিটার বাজাতে, সমুদ্র সৈকতে হাঁটতে, বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে এবং ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করতে। আর্যমান বলেন, “আমি এমন মানুষদের কাছ থেকে শিখতে চাই, যাদের আমি সম্মান করি। সময় আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে বর্তমানটাকে বাঁচতে হয়।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us