/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/25/sanjay-2026-01-25-10-06-05.png)
কী হতে চলেছে?
Republic Day 2026-Bollywood: প্রথমবারের মতো ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের প্রতিনিধিত্ব করতে চলেছেন, একজন চলচ্চিত্র পরিচালক। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, প্রখ্যাত পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালি এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসে একটি বিশেষ ট্যাবলো উপস্থাপন করবেন। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে, তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। আগামী ২৬ জানুয়ারি সোমবার দিল্লির কর্তব্য পথে এই ট্যাবলো প্রদর্শিত হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রথমবার ভারতীয় সিনেমার একজন প্রকৃত পতাকাবাহক, প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। এই সম্মান শুধু সঞ্জয় লীলা বনশালির ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তাঁর মতো বহুমুখী ও দৃষ্টিনন্দন চলচ্চিত্র নির্মাতার হাতে, এই দায়িত্ব দেওয়া নিঃসন্দেহে দেশের শিল্প-সংস্কৃতির জন্য গর্বের বিষয়।
Kajol in Burdwan: কাজলের মুখেও মমতার স্লোগান, হইচই বর্ধমানে
পরিচালক হিসেবে পরিচিত হলেও বনশালি একই সঙ্গে একজন সফল প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদক ও সুরকার। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে সাতটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মান। ২০১৫ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। ১৯৯৬ সালে ‘খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে, তিনি একের পর এক যুগান্তকারী ছবি উপহার দিয়েছেন।
এদিকে, ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে আরও এক বিশেষ মাত্রা যোগ করতে চলেছেন অস্কারজয়ী সুরকার এম এম কীরাভানি। কিংবদন্তি, দেশাত্মবোধক গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে, সংস্কৃতি মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে, তিনি এই গ্র্যান্ড প্যারেডের জন্য বিশেষ সংগীত রচনা করছেন। এই অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে প্রায় ২৫০০ শিল্পী অংশ নেবেন, যা এক বিশাল সাংস্কৃতিক সমারোহে রূপ নেবে।
কোমরে হাত, গোলাপ ফুলেও ছিল অসম্মান! হেনস্থার শিকার মৌনী রায়!
এই দায়িত্ব পেয়ে কীরাভানি সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই তাঁর বাবা ও গুরু প্রয়াত শিবদত্তের কাছ থেকে কঠোর প্রশিক্ষণ এবং সংগীতের ঐতিহ্যগত শিক্ষা পেয়েছেন, যা তাঁকে এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণের আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। তাঁর কথায়, ‘বন্দে মাতরম’-এর মতো আইকনিক গানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর জীবনের এক অনন্য সম্মান।
সব মিলিয়ে, এবারের প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ হতে চলেছে সিনেমা, সংগীত ও জাতীয় আবেগের এক মহাসমারোহ, যা নিঃসন্দেহে দেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us