/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/23/bdc-2025-12-23-14-19-29.png)
কী বলছেন সৌরভ?
২০২৪-র জুলাই মাস। বাংলাদেশের গণঅভ্যুত্থান নিয়ে তখন সারা বিশ্বের মানুষ আলোচনা করেছে। এমনকি, বাংলাদেশ জুড়ে সেই সময় যা যা ঘটেছে, বিশেষ করে গণভবনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার জিনিসপত্র নিয়ে লুঠপাঠ থেকে শুরু করে আরও অনেক কিছু। সেই সময় বাংলার পরিচালক সৌরভ পালোধী একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। তিনি সেখানে লিখেছিলেন
লংমার্চ টু ঢাকা, ছাড়তে হবে ক্ষমতা, ঢাকায় আসো জনতা। আর এই পোস্ট এখন ঝড়ের গতিতে ভাইরাল। তিনি আরও লিখেছিলেন, পাসপোর্ট-ভিসা ছাড়াই আমার মন আর মাথা দুটোই শাহবাগে থাকবে। এই পোস্ট এখন ঝড়ের গতিতে ভাইরাল। কারণ বর্তমানে, সেদেশের যা পরিস্থিতি ওসমান হাদির মৃত্যুর পর, সেখানের মানুষদের কণ্ঠে আরও বাড়ছে, ভারত বিদ্বেষ। সংখ্যালঘু হিন্দুকে মেরে গাছে ঝুলিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে নানা ঘটনা। তাঁর সঙ্গে সেভেন সিস্টার্স আলাদা করার মত দিবাস্বপ্ন তো তাঁদের লেগেই আছে।
Parambrata-Piya: পরম-পিয়ার নডির অন্নপ্রাশনে মুখ্যমন্ত্রী, নিষাদকে দিলেন বিশেষ উপহার
কিন্তু, সৌরভ পালোধী যে পোস্ট করেছিলেন, সেই কারণে আবারও রোষানলে তিনি। এই প্রসঙ্গে, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। কী বক্তব্য রাখলেন তিনি? সৌরভের কথায়
আমার দুটো বক্তব্য আছে। এক হচ্ছে ওখানের মানুশগুলোকে আমার পক্ষে অস্বীকার করা সম্ভব না। আমি যদি সব রাজনীতি ভুলে যাই সেখানে অনেক বন্ধু আছেন। সেদেশের মানুষরা আমাদের সহ-নাগরিকের মত। শান্তি ফিরুক সেদেশে। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে হিন্দু-মুসলিম ভুলে একসঙ্গে থাকা হোক। এবার দুই নম্বর হচ্ছে, বাংলাদেশ খুব বড় তথ্য- সংস্কৃতির কেন্দ্র। সেসব ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। অশান্ত বাংলাদেশ দেখে খুব কষ্ট হচ্ছে। আদান-প্রদানের অভাবে অনেক ক্ষতি হচ্ছে। মানুষ-মানুষ ঠিক হোক। সেদেশে যেন একটা সেকুলার ভয়েস থাকে। মানুষ যেন একসঙ্গে থাকে।"
একাধিকবার বিশ্বাসঘাতকতা, এক ছবিতেই জীবন পাল্টে গেল এই পরিচালকের, পেলেন স্ত্রী-কেও..
বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন নিয়ে নানা দিকে প্রশ্ন উঠছে। সেখানে হারমোনিয়াম ভাঙা হচ্ছে। শিল্পীদের আক্রমণ করা হচ্ছে। এটা কি মৌলবাদের আগ্রাসন? সৌরভ বলছেন, "মানসিক সুস্থতা ফিরুক। রাহুল আনন্দের বাড়ির সব ভেঙে দেওয়া হল। এটা তো বাংলাদেশ না। এটা বাঙালি না। আর্ট এবং কালচার ছাড়া বাঙালি কি? এই ধর্মের প্রভাবে যে কী কী হতে পারে আমরাও যেন সচেতন হতে পারি। ভারতবাসী হিসেবে আমরা যারা এগিয়ে আছি বলে গর্ব করছি আমরা যেন একটু সচেতন হই। কারণ ধর্মের নিরিখে যে ঔদ্ধত্য বাড়ছে এটা কিন্তু একটা কালো দিনের দিকে পৌঁছে দেবে। এই উগ্রতা কিন্তু সোসাইটিকে পচন ধরায়। ধর্মের এত প্রভাব যে বাদ্যযন্ত্র ভেঙে ফেলছে! ছায়ানট জ্বালিয়ে দিতে হয়। খবরের কাগজের অফিস জ্বালিয়ে দিচ্ছে এই জায়গায় সুস্থতা ফিরুক।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us