/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/01/sayak-chakraborty-2026-02-01-13-29-27.jpeg)
সায়ক বিতর্কে গ্রেপ্তার রেস্তোরাঁর কর্মী
খাবার ঘিরেই যে এমন তীব্র বিতর্ক, বিক্ষোভ এবং আইনি জটিলতার জন্ম নিতে পারে, তা হয়তো কলকাতাবাসী কল্পনাও করতে পারেনি। কিন্তু কলকাতার এক নামী পাবে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার জেরে কার্যত ঝড় উঠেছে টলিপাড়ায়। সেই ঝড়ের কেন্দ্রে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী (Sayak Chakraborty)। তিনি বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে কলকাতার একটি পাবে খেতে গিয়েছিলেন। সায়ক দাবি করেন, খাসির মাংসের বদলে তাঁকে পরিবেশন করা হয়েছে গো-মাংস। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ, সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় ভিডিও।
অভিনেতার দাবি, তিনি ও তাঁর বন্ধুরা রেস্টুরেন্টে মটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। প্রথম ডিশ আসার পর তাঁরা খাওয়া শুরু করেন। তবে কিছুক্ষণ পর রেস্টুরেন্টের কর্মীরা ফের একটি ডিশ এনে জানান, সেটি মটন স্টেক। এখানেই সন্দেহের বীজ রোপণ হয়। সায়ক প্রশ্ন তোলেন, তাহলে আগে যে খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল, সেটি কী ছিল?
এই সন্দেহ দ্রুত রূপ নেয় ক্ষোভে। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে সায়ককে প্রবল উত্তেজিত অবস্থায় কথা বলতে শোনা যায়। সেখানে তিনি বলেন, “আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, আপনারা এটা কী করে করতে পারলেন?” তাঁর অভিযোগ, খাসির মাংসের বদলে তাঁকে গো-মাংস পরিবেশন করা হয়েছে, যা তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করেছে।
আরও পড়ুন: ‘সবসময় গলা কাটা যায় গরীব ও ক্ষমতাহীনের’, সায়ক চক্রবর্তীকে ঘিরে তুমুল শোরগোল
ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় তুমুল চর্চা ও বিক্ষোভ। কেউ অভিনেতার পাশে দাঁড়ান, আবার কেউ প্রশ্ন তোলেন অভিযোগের সত্যতা নিয়ে। বিতর্কের মাঝেই আইনি পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন সায়ক চক্রবর্তী। তিনি রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ শনিবার এক রেস্টুরেন্ট কর্মীকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্ত কর্মীর নাম নাসিমুদ্দিন এস কে। সূত্রের খবর, তিনি কলকাতারই একটি ভাড়াবাড়িতে থাকেন। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তোলা হলে বিচারক ৩ তারিখ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: বাবার সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই টাবুর! কেন তাঁর পদবিও ব্যবহার করেন না?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us