Sayak Chakraborty Controversy: ‘সবসময় গলা কাটা যায় গরীব ও ক্ষমতাহীনের’, সায়ক চক্রবর্তীকে ঘিরে তুমুল শোরগোল

“আমায় কেউ, না বলে গরুর মাংস খাওয়ালে আমি বুঝতেই পারব না। জীবনে খাইনি কিনা, তাই স্বাদ জানিনা। কিন্তু যদি জানা থাকতো, এক গ্রাস মুখে দিলেই বুঝতে পারতুম না? নাহ, স্ক্রিপ্টটা একটু কাঁচা হয়ে গেছে নো ডাউট..."

“আমায় কেউ, না বলে গরুর মাংস খাওয়ালে আমি বুঝতেই পারব না। জীবনে খাইনি কিনা, তাই স্বাদ জানিনা। কিন্তু যদি জানা থাকতো, এক গ্রাস মুখে দিলেই বুঝতে পারতুম না? নাহ, স্ক্রিপ্টটা একটু কাঁচা হয়ে গেছে নো ডাউট..."

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
Saayak Chakraborty Controversy

সায়ক বিতর্কে তারকাদের প্রতিক্রিয়া

নতুন করে বিতর্কের আগুনে ঘি পড়ল সায়ক চক্রবর্তীকে (Sayak Chakraborty) ঘিরে। দেবলীনা নন্দীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুঞ্জনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার খাবার নিয়েই তীব্র অভিযোগ তুলে শিরোনামে অভিনেতা। কলকাতার একটি পাবে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে খেতে গিয়ে সায়ক দাবি করেন, খাসির মাংসের বদলে তাঁকে পরিবেশন করা হয়েছে গো-মাংস। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ, সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় ভিডিও, শেষ পর্যন্ত আইনি পথেও হাঁটেন অভিনেতা।

Advertisment

ঘটনার বিবরণে সায়ক জানান, তাঁরা মটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার আসার পর খাওয়া শুরু করেন। কিছুক্ষণ পরে রেস্টুরেন্টের কর্মীরা আর একটি ডিশ এনে জানালে যে সেটি মটন স্টেক, তখনই তাঁদের মনে সন্দেহ জাগে, তাহলে এর আগে তাঁরা কী খাচ্ছিলেন? ভাইরাল ভিডিওতে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সায়ককে বলতে শোনা যায়, “আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, আপনারা এটা কী করে করতে পারলেন?”

এরপরই সোশাল মিডিয়ায় রেস্টুরেন্ট কর্মীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি মামলা দায়ের করেন তিনি। শনিবার ওই কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তারকাদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অভিনেত্রী মানসী সিনহা সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, “আমায় কেউ, না বলে গরুর মাংস খাওয়ালে আমি বুঝতেই পারব না। জীবনে খাইনি কিনা, তাই স্বাদ জানি না। কিন্তু যদি জানা থাকতো, এক গ্রাস মুখে দিলেই বুঝতে পারতুম না?

নাহ, স্ক্রিপ্টটা একটু কাঁচা হয়ে গেছে নো ডাউট, এবং একই সঙ্গে... এই আপত্তি, রাগ ইত্যাদির সঙ্গে ধর্মটাকে এভাবে হাল্কা মিশিয়ে দেবার চেষ্টাটা বেশ বিরক্তিকর। একেবারে সহ্য হলো না।”

অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী কটাক্ষ করে লেখেন, “মটন মাখা-সন্দেশ পানিফল বিফ চিনেবাদাম কোনটা কী খেয়ে বোঝো না?! তোমার স্বাদ কোরক নেই কুসুম??!”

আরও পড়ুন: মটন না গো-মাংস? সায়ক বিতর্কে গ্রেপ্তার রেস্তোরাঁর কর্মী, ৩ তারিখ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ!

অন্যদিকে অরিত্র দত্ত বণিক লেখেন, “সবসময় গলা কাটা যায় গরীব ও ক্ষমতাহীনের যেমন অলিপাবের খাবার পরিবেশক গ্রেফতার হলেন এবং তার চাকরিটাও থাকবে কিনা সন্দেহ। যদিও কলকাতা পুলিশ বড় আকারের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ঝঞ্জা এড়ানোর জন্যেই এই গ্রেফতার করেছেন বলে আমার অনুমান, তবে স্পেকুলেশানের ভিত্তিতে আদৌ এই গ্রেফতার যুক্তিসম্মত হলো কিনা তা আমার জানা নেই, আশা রাখছি আদালত প্রোডাকশন লেভেলে জামিন দিয়ে দেবে। বিক্রেতা ভুল খাবার পরিবেশন করলে ভুল করেছেন, কিন্তু ক্রেতা সচেতনতা বলেও একটা বিষয় থাকে, আচার ও ধর্মীয় বিধি মেনে রক্ষণশীল জীবন যাপন করতে হলে একজন ক্রেতার সেই দোকানে যাওয়া উচিৎ নয় যেখানে সম্পূর্ণভাবে তার ধর্মের বিপরীত আচারের খাদ্যদ্রব্য বিক্রয় হচ্ছে বছরের পর বছর। যে কোনো ধর্মের ক্রেতার উচিৎ এইটুকু সচেতন থাকা।”

আরও পড়ুন: আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হিরণ চট্টোপাধ্যায়

তিনি আরও লেখেন, “ক্রেতা যদি মনে করে থাকেন তাঁর সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে তাহলে ১০০ বার তিনি প্রতিবাদ করবেন, আইনের পথে ক্ষতিপূরণ ক্লেইম করবেন, দরকারে প্রাথমিকভাবে সোশ্যাল মিডিয়াকে বেছে নেবেন কিন্তু টাইম বুঝে প্রতিবাদের ভিডিও ডিলিট করবেন কেন? তার প্রতিবাদের স্বচ্ছতার ওপরে কি তার নিজের আস্থা নেই? নাকি আনন্দপুর কারখানা থেকে মিডিয়ার নজর ঘোরাতে এটা নতুন ম্যানুফ্যাকচারড কন্টেন্ট?”

আরও পড়ুন: ‘একই মানসিকতা, একই ব্যক্তিত্ব’, প্রিয়াঙ্কাকে হারানোর দায় বলিউডেরই! শাহরুখের সঙ্গে তুলনা টানলেন শৈলেন্দ্র

Sayak Chakraborty entertainment Entertainment News Entertainment News Today tollywood tollywood news