/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/12/saay-2025-12-12-17-09-10.jpg)
কী বলছেন সায়নী?
একজন অভিনেতা কিংবা অভিনেত্রী সিনেমার হিতে কাজ করেন। তাঁর সবসময় প্ল্যানিং থাকে, তাঁর জন্য যেন সিনেমার একটু হলেও উন্নতি হয়। আর যখন সেই স্পার্ক একেবারেই কাজ করে না, একজন অভিনেতা বোধহয় বুঝতে পারন নিজের থেকেই।
অভিনেত্রী সায়নী ঘোষের জীবনেও ঠিক সেরকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এর সঙ্গে তিনি রাজকাহিনী ছবিতে কাজ করেছিলেন। সেখানে তিনি তাঁর চরিত্র যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তা প্রশংসার যোগ্য। কিন্তু সায়নীর কাছে সেই ছবির কাজ খুব একটা চমকপ্রদ জায়গায় যায়নি।
৫০ পয়সায় লাগেজ বহন করা ছেলের বিশ্বজয়, সরকারি চাকরি ছেড়ে এভাবেই সুপারস্টার হয়ে উঠলেন কে?
অভিনেত্রী একবার অপুর সংসারে এসে সেকথাই বলেছিলেন। সেই ছবিতে, অভিনয় করে তাঁর নিজের বেশ কিছু অনুভূতি হয়েছিল। তিনি কী এমন বলেছিলেন পরিচালকের ভাবনা নিয়ে? সেই ছবির হিন্দি ভার্সন তৈরি করেছিলেন সৃজিত। বেগম জান নাম দিয়েছিলেন সেই ছবির। তবে, সায়নীর কেন সেই ছবিতে অভিনয় করে খুব একটা মনের সুখ পাননি তিনি?
সায়নী বলেছিলেন, আমায় যেভাবে ছবিটা বোঝানো হয়েছিল, বা যে পরিদর্শনে সেটা আলোচনা করা হয়েছিল, সেটা আলটিমেটলি হয়নি। পরিচালকের ধারণা অনুযায়ী কাজ হলেও, আমি যখন ছবিটা দেখলাম, মনে হল... যে আমি না থাকলেও ছবিটার কোনও ক্ষতি হতো না। সেটা আমার রিগ্রেট হওয়ার জায়গা।" এখানেই থামলেন না সায়নী। তাঁকে এও বলতে শোনা গেল, একজন অভিনেতা ঠিক কী কী ভাবে। তাঁর নিজের কী কী ধারণা থাকে?
বিগ বসের পর বিতর্কে তানিয়া, স্টাইলিস্টের অভিযোগে তোলপাড় নেটদুনিয়া
সায়নী সোজা বলেন, আমার মনে হয় একটা ছবিতে যখন আমরা অভিনয় করি, ভেবে চিন্তে করি। আমাদের এমনটাই ভাবনা থাকে যে আমার জন্য যেন ছবিটা একটু হলেও ভাল হয়। সেটা এক্ষেত্রে হয়নি। আমি যখন প্রিমিয়ারে ছবিটা দেখেছি, আমার মনে হয়েছিল যে আমি না থাকলে হয়তো বা ছবিটা আরও ভাল হতো। যদিও আমার এই নিয়ে সৃজিতের সঙ্গে কোনোদিন কথা হয়নি। আমি মনে করি, এটা গণতান্ত্রিক ইন্ডাস্ট্রি, এখানে নিজের মত রাখার মতো স্বাধীনতা আছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us