ডিভোর্স কোনও নারীর স্বপ্ন নয়’, বেদনার কথা শোনালেন সোহেলের প্রাক্তন স্ত্রী সীমা সাজদেহ

বিচ্ছেদের পর একা জীবন সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে বলেও জানান তিনি। “আমি একা থাকার ভয় পেতাম। আগে বাবা, তারপর সোহেল সবকিছু সামলাত।

বিচ্ছেদের পর একা জীবন সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে বলেও জানান তিনি। “আমি একা থাকার ভয় পেতাম। আগে বাবা, তারপর সোহেল সবকিছু সামলাত।

author-image
IE Bangla Entertainment Desk
New Update
seema-sajdeh-sohail-khan

কী বললেন সীমা...

নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো 'Fabulous Lives of Bollywood Wives'-এর মাধ্যমে দর্শকদের কাছে নতুনভাবে পরিচিত হয়ে ওঠেন সীমা সাজদেহ। সোহেল খানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর, নিজের পরিচয় গড়ে তোলার এই যাত্রায় তিনটি মরসুম জুড়েই ধরা পড়েছে তাঁর মানসিক পরিবর্তন, আত্মঅন্বেষণ এবং আত্মবিশ্বাসের বিকাশ। প্রথম মরসুমে দেখা গিয়েছিল, বিচ্ছেদের পরবর্তী মানসিক টানাপোড়েন, দ্বিতীয় মরসুমে বান্দ্রা ছেড়ে নতুন জীবন শুরু করার সংগ্রাম, আর তৃতীয় মরসুমে উঠে আসে এক শান্ত, দৃঢ়চেতা সীমার প্রতিচ্ছবি- যিনি নিজের সত্য মেনে নিয়ে বান্দ্রায় ফিরে আসেন এবং শৈশবের প্রেম বিক্রম আহুজার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর কথা প্রকাশ্যে জানান।

Advertisment

সম্প্রতি ঊষা কাকাড়ে প্রোডাকশনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সীমা তাঁর দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের ভাঙন এবং তার পরবর্তী মানসিক যাত্রার কথা অকপটে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা যখন বিয়ে করেছিলাম, তখন আমরা দু’জনেই খুব ছোট ছিলাম। আমার বয়স ছিল মাত্র ২২। সময়ের সঙ্গে আমরা আলাদা পথে বেড়ে উঠেছি, আমাদের চিন্তাভাবনাও বদলেছে। একসময় বুঝতে পারি, আমরা স্বামী-স্ত্রীর চেয়ে ভালো বন্ধু।”

Prosenjit Chatterjee: ‘মনের মানুষ’ থেকে ‘ভবানী পাঠক’, পদ্ম পুরস্কারে ভূষিত প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত যে সহজ ছিল না, তাও স্বীকার করেন সীমা। তাঁর কথায়, “প্রতিদিন ঝগড়া করে বাড়ির পরিবেশ নষ্ট করার চেয়ে আলাদা হওয়াই ভালো মনে হয়েছে। আমরা বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই আলাদা হয়েছি। আজও আমরা পরিবার। ও আমার সন্তানের বাবা, সেটা কখনও বদলাবে না।” এই সিদ্ধান্তের মানসিক প্রভাবও গভীর ছিল। সীমা জানান, “কোনও নারীই বিবাহবিচ্ছেদের স্বপ্ন দেখে না। আমি হতাশায় ভুগেছি, আমার সন্তানরাও কষ্ট পেয়েছে। আমরা অনেক ভেবে-চিন্তে, মূলত বাচ্চাদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

বিচ্ছেদের পর একা জীবন সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে বলেও জানান তিনি। “আমি একা থাকার ভয় পেতাম। আগে বাবা, তারপর সোহেল সবকিছু সামলাত। হঠাৎ করেই আমাকে ব্যাংকিং, ইনশিওরেন্স, বিল পেমেন্ট—সব শিখতে হয়। প্রতিদিনই ছিল নতুন অভিজ্ঞতা,” বলেন সীমা।

বিয়ে প্রসঙ্গেই হিরণকে নিয়ে রানার চরম ঠাট্টা, অস্বস্তিতে শ্যামৌপ্তি

১৯৯৮ সালে সীমা ও সোহেলের বিয়ে বলিউডে আলোড়ন ফেলেছিল। মাত্র দশ দিনের বাগদান ভেঙে সোহেলের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করার সেই সিদ্ধান্ত যে তাঁর জীবনের গতিপথ বদলে দিয়েছিল, তা আজও অকপটে স্বীকার করেন সীমা। দুই সন্তান নির্ভান ও ইয়োহানের মা হিসেবে, জীবনের এই অধ্যায় থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাই তাঁকে আজকের দৃঢ়চেতা মানুষ করে তুলেছে।

bollywood Entertainment News Today Bollywood Actor