/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/04/celina-jaitly-2026-02-04-13-28-13.jpg)
রেহাই পাবেন সেলিনার ভাই?
বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টের এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশকে স্বাগত জানালেন। বললেন, তাঁর ভাই মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) বিক্রান্ত জেটলির আইনি লড়াইয়ে এটি একটি বড় সাফল্য। গত ১৮ মাস ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আটক রয়েছেন বিক্রান্ত জেটলি। হাইকোর্টের এই নির্দেশ, তাঁর মর্যাদা পুনরুদ্ধারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন অভিনেত্রী।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সেলিনা বলেন, দিল্লি হাইকোর্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইন সংস্থা ‘আল মারি পার্টনারস’-এর আইনজীবীদের, তাঁর ভাইয়ের পক্ষে মামলা লড়ার অনুমতি দিয়েছে। দীর্ঘ আইনি অনিশ্চয়তার পর এই সিদ্ধান্ত তাঁদের পরিবারে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
সেলিনা আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “এটি আমাদের পরিবারের জন্য ১৮ মাসের দীর্ঘ সংগ্রাম ছিল। আজ আদালতের এই নির্দেশ আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি, এই সিদ্ধান্তের ফলে আমার ভাই তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা ফিরে পাবেন। এবং আমরা খুব দ্রুত তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারব।”
মেজর জেটলির আইনজীবী, অ্যাডভোকেট রাঘব কাকার জানান, আদালতের নির্দেশ বিক্রান্ত জেটলির প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক। তাঁর মতে, দিল্লি হাইকোর্ট বিদেশ মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছে, দুবাইয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত আইনজীবী নিয়োগ করতে। এই নিয়োগপত্রের মাধ্যমে আইনজীবীরা বিক্রান্ত জেটলির কাছ থেকে ‘পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি’ সংগ্রহ করতে পারবেন এবং পূর্ণাঙ্গ আইনি প্রতিরক্ষা শুরু করা সম্ভব হবে।
রাঘব কাকার বলেন, “আমরা আদালত থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ পেয়েছি। এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন আইনি দল, সরাসরি বিক্রান্তের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবে। ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে যে কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে, তার ভিত্তিতে আমরা দ্রুত ইতিবাচক ফলের আশা করছি।”
মঙ্গলবার বিচারপতি পুরুষেন্দ্রকুমার কৌরব, সেলিনা জেটলির আবেদনের প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেন। আদালত জানিয়েছে, যদি এই নির্দেশ কার্যকর করতে কোনও প্রশাসনিক বাধা থাকে, তবে তা হলফনামার মাধ্যমে জানাতে হবে। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি।
আদালতে জমা দেওয়া নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আল মারি পার্টনারস’ সংস্থাটি বিনামূল্যে বা ‘প্রো বোনো’ ভিত্তিতে এই মামলা পরিচালনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিক্রান্ত জেটলির প্রস্তাবিত চারটি আইনি সংস্থার তালিকায় এই সংস্থার নাম ছিল বলে জানা গেছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, বিক্রান্ত জেটলি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের জানিয়েছিলেন যে, তাঁর স্ত্রী চারু জেটলি, আইনি প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে এই বিষয়টি নিয়ে, আইনজীবীদের মধ্যে কিছু মতবিরোধও তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর দিল্লি হাইকোর্টের এই নির্দেশে সেলিনা জেটলি ও তাঁর পরিবার এখন আশাবাদী যে খুব শিগগিরই বিক্রান্ত জেটলির মুক্তির পথ প্রশস্ত হবে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us