/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/30/shakib-khaleda-zia-2025-12-30-13-06-27.png)
কী বলছেন তারকারা?
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার তাঁর মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে বিএনপি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি গুরুতর শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন এবং নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অত্যন্ত প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি একাধিকবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ও রাজনৈতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি দীর্ঘদিন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। তাঁর মৃত্যুতে দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
রেখার উড়ন্ত চুম্বনে আবেগঘন মুহূর্ত, অমিতাভের নাতি অগস্ত্যর জন্য বিশেষ স্ক্রিনিং ‘ইক্কিস’-এর
স্বাস্থ্যগত দিক থেকে খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভারের জটিল রোগ সিরোসিসে আক্রান্ত ছিলেন। পাশাপাশি তাঁর আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, বুকে ব্যথা এবং হৃদ্যন্ত্র সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা ছিল। এই সব শারীরিক জটিলতার কারণে তাঁর স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছিল। এদিকে, তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশের তারকারা শোকপ্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশের চঞ্চল চৌধুরী তাঁর ছবি শেয়ার করেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। আরেক তারকা সিয়াম আহমেদ তিনি শোকপ্রকাশ করে লিখছেন, "বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।"
অভিনেতা আরশ খান তিনিও শান্তি কামনা করেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। শোকপ্রকাশ করেছেন দুই বাংলায় সমান জনপ্রিয় জেমস। তিনি লিখছেন, ‘শোক ও বিনম্র শ্রদ্ধা, বাংলাদেশের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।’
বাংলাদেশের অন্যতম সুপারস্টার শাকিব খান। তিনিও সমাজ মাধ্যমে একটি শোকবার্তা দিয়েছেন। অভিনেতা লিখছেন, "সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি। তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।"
প্রসঙ্গে, স্বাস্থ্য সমস্যার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় আইনি জটিলতার মধ্যেও ছিলেন। ২০০৮ সালের একটি দুর্নীতি মামলায় অনাথদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গিয়েও তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবেন।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us