/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/01/hema-2025-12-01-13-53-55.jpg)
যা বললেন শত্রুঘ্ন...
প্রবীণ অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ শত্রুঘ্ন সিনহা তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং দীর্ঘদিনের সহকর্মী ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর সময় দিল্লিতে ছিলেন। মুম্বাই ফিরে এসে তিনি সঙ্গে সঙ্গে দেখা করেন প্রয়াত অভিনেতার পরিবারের সঙ্গে- সানি দেওল, ববি দেওল, পুত্রবধূ তানিয়া দেওল এবং তাঁদের সন্তানদের সঙ্গে। সোমবার শত্রুঘ্ন সিনহা জানান, তিনি ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী ও তাঁদের দুই মেয়ে এষা এবং অহনাকেও সান্ত্বনা জানাতে গিয়েছিলেন।
সিনহা এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ লিখেছেন, “আমাদের প্রিয় পারিবারিক বন্ধু হেমাজি–র সঙ্গে দেখা হল। ধর্মজি, আমাদের বড় ভাই, এই অপূরণীয় ক্ষতির সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করা হৃদয়বিদারক। তাঁর দুই মেয়ে এশা এবং অহনা- এর সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাঁদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।" তিনি নিজের, স্ত্রী পুনম সিনহা, ধর্মেন্দ্র, হেমা মালিনী ও প্রয়াত সুনীল দত্তের পুরনো ছবিও শেয়ার করেন।
ইয়ালিনির বার্থডে মানেই উৎসব, এ বছরও জগন্নাথের পুষ্প অভিষেক
অভিনেতা-রাজনীতিকদের এই বন্ধুত্বে রাজনৈতিক রংও রয়েছে। ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনী বিজেপির সদস্য, শত্রুঘ্ন সিনহা দীর্ঘদিন ছিলেন বিজেপিতে, বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ। অন্যদিকে সুনীল দত্ত ছিলেন কংগ্রেস নেতা। সিনহা লিখেছেন, “ধর্মজি ছিলেন দয়ালু, নম্র এক মানুষ। তিনি আজ আর নেই, কিন্তু তাঁর স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবারের শান্তি ও শক্তির কামনা করি।”
শুক্রবার তিনি দেওল পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন এবং সেই সাক্ষাৎকে “হৃদয়স্পর্শী” বলে উল্লেখ করেন। সানি ও ববির সঙ্গে পুরনো ছবিও পোস্ট করেন। এক্স- এ তিনি লেখেন, “দিল্লি থেকে ফিরে হৃদয় ভাঙা অবস্থায় তাঁদের বাড়ি গিয়েছিলাম। সানি, ববি, তানিয়া, তাঁদের ছেলে ধরম ও বিশেষ করে আর্যমান- সবাইকে দেখে খুব ভালো লেগেছে। ধর্মজি যে অসাধারণ মানুষ ছিলেন, আজও তার প্রমাণ তাঁর পরিবার। উনি অসংখ্য মানুষের জীবন ছুঁয়ে গেছেন, সেখানেই তাঁর অমরত্ব।”
Dharmendra Emotional Reaction: ধর্মেন্দ্রের নাতির অপমান!, করণকে মাটিতে আছাড় মেরে বলেছিল, “তুই সানি দেওলের ছেলে!” কী এমন হয়েছিল জানেন?
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত-ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা হামাদ আল রেমানিও তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে শেয়ার করেছেন হেমা মালিনীর সঙ্গে আলাপের কথা। রেমানির দাবি, হেমা দুঃখ প্রকাশ করে বলেছেন- ধর্মেন্দ্রর শেষ মুহূর্তে ভক্তরা তাকে দেখার সুযোগ পাননি। অভিনেতা জীবনে কখনও চাননি কেউ তাঁকে দুর্বল অবস্থায় দেখুক, পরিবারের কাছেও লুকিয়ে রাখতেন তাঁর যন্ত্রণা।
রেমানির কথায়, হেমা চোখের জল মুছে বলেন, “শেষ দিনগুলো অত্যন্ত কষ্টের ছিল… নিষ্ঠুর মনে হচ্ছিল নিজেকে। আমরা পর্যন্ত তাঁর সেই যন্ত্রণা দেখা সহ্য করতে পারিনি। ভক্তদের পক্ষে তো তা অসম্ভব হতো।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us