/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/03/amitabh-bachchan-kbc-1-2026-01-03-14-51-40.jpg)
কী করেছিলেন অমিতাভ...
Amitabh Bachchan: জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি পেজ ৩ ও ট্র্যাফিক সিগন্যাল-এর প্রযোজক শৈলেন্দ্র সিং, সম্প্রতি বলিউডের অন্দরের এক বিতর্কিত অধ্যায় প্রকাশ্যে এনেছেন। পরিচালক সুজিত সরকার এবং অমিতাভ বচ্চনকে ঘিরে বহু বছর আগের এক প্রযোজনা-সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। শৈলেন্দ্রর দাবি, যে ছবিটি আজ পরিচিত শোবাইট নামে, তার মূল ধারণা ছিল তাঁরই তৈরি, যার প্রাথমিক শিরোনাম ছিল জনি ওয়াকার।
সিদ্ধার্থ কান্নানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শৈলেন্দ্র বলেন, “আমি জনি ওয়াকার নামে ছবির ধারণাটা তৈরি করেছিলাম। আমাদের অফিসেই স্ক্রিপ্ট লেখা হয়। অমিতাভ বচ্চনকে আমরা সেই গল্প শুনিয়েছিলাম, এবং তিনি রাজি হয়েছিলেন জনির চরিত্রে অভিনয় করতে।” তিনি জানান, সুজিত সরকারকে তিনিই প্রথম অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেন এবং জালসায় নিয়ে গিয়ে বৈঠকও করান।
Sayak Chakraborty: রেস্তরাঁর ভুল না কি ধর্মীয় আঘাত? সায়ক চক্রবর্তীর ঘটনায় গ্রেপ্তার এক কর্মী
শৈলেন্দ্রর বক্তব্য অনুযায়ী, চুক্তি সই হওয়ার পর তিনি অমিতাভ বচ্চনকে চার কোটি টাকা অগ্রিম পারিশ্রমিকও দিয়েছিলেন। কিন্তু এরপরই পরিস্থিতি বদলে যায়। শৈলেন্দ্র বলেন, “হঠাৎ জানতে পারি, মিস্টার বচ্চন চান, ছবিটি তাঁর নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা এবি কর্পোরেশনের অধীনে তৈরি হোক। আমি স্পষ্ট বলেছিলাম, আমি প্রযোজক, আমি শুধু তাঁকে অভিনেতা হিসেবে চাই।"
তিনি দাবি করেন, ছবির স্বত্ব ছাড়তে অস্বীকার করায়, ধীরে ধীরে তাঁকে প্রকল্প থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। “এরপর আমি সুজিত সরকারকেও হারালাম। সেই সময় থেকেই উনি অমিতাভ বচ্চনের সব বিজ্ঞাপন পরিচালনা করতে শুরু করেন। ছবিটা শেষমেশ ইউটিভি ব্যানারে তৈরি হয়, নাম হয় শোবাইট। কিন্তু আজও সেই ছবি মুক্তি পায়নি,” আক্ষেপ শৈলেন্দ্রর।
Sayak Chakraborty: 'মুসলমানকে শুয়োরের মাংস খাওয়ানো হলে?' সায়কের পাশে রুদ্র, রেগে কাঁই রাহুল
তিনি জানান, এই ঘটনার জেরে ইউটিভির বিরুদ্ধে আইনি মামলা দায়ের করা হয়, যা এখনও চলমান। এমনকি একবার বিমানে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে দেখা হলে তিনি বিষয়টি জানতে চান। “উনি কিছু বললেন না। শুধু হাসলেন। ওঁর মর্যাদা এমনই- উনি কিছু বলতে পারেননি।”
শুধু এই ঘটনাই নয়, আরেকটি বড় সিদ্ধান্তের কথাও স্মরণ করেন তিনি। সঞ্জয় লীলা বনসালির দেবদাস প্রযোজনায় যুক্ত হতে চলেছিলেন শৈলেন্দ্র। এমনকি ১১ লক্ষ টাকা অগ্রিমও দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সরে আসেন ডেভিড ধাওয়ানের পরামর্শে। “ডেভিড আমাকে বলেছিলেন- এত বড় ছবি প্রযোজনা করা ঠিক হবে না। আমি ওঁর কথা মেনে রাতারাতি সরে যাই। আজ বুঝি, হয়তো সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল,” স্বীকার করেন তিনি।
এই স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে বলিউডের অন্দরমহলের ক্ষমতার সমীকরণ, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং হারিয়ে যাওয়া সুযোগের এক জটিল ছবি উঠে এসেছে শৈলেন্দ্র সিংয়ের কথায়।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us