/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/29/dev-rachana-2026-01-29-17-06-15.jpg)
দেবের প্রথম নায়িকা এখন রাজনৈতিক মঞ্চের সহযাত্রী!
পূর্বঘোষণা মতোই বুধবার সিঙ্গুরে জমকালো উপস্থিতি দেখান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে হাজির ছিলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দেব। একসময় পর্দার জুটি,এখন রাজনীতির মঞ্চে একসঙ্গে।
সিঙ্গুরে দেবের মুখে শোনা গেল একেবারে খাঁটি, আন্তরিক স্বীকারোক্তি। তৃণমূলের দুই সেলেব সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দেব পরপর মঞ্চে ভাষণ দিলেন। রচনার বলা শেষ হতেই দেব বক্তৃতা দিতে উঠে বললেন তিনি বলেন, “আমি ভেবেছিলাম এখানে এসে দু-তিনটে লাইন বলে দেব। কিন্তু রচনাদি এত ভালো স্পিচ দিলো! আমি ১২ বছর সাংসদ হয়ে এত ভালো স্পিচ দিতে পারলাম না। রচনাদি দেড় বছরে দিয়ে দিল।” দেবের কথা শুনে রচনা লাজুক হয়ে মুখে হাত দিয়ে হাসতে থাকেন।
আরও পড়ুন: রানি মুখার্জির প্রশংসায় ভাসছেন মল্লিকা! ‘মর্দানি ৩’ কবে মুক্তি পাচ্ছে?
২০০৬ সাল। বাংলা ছবির জগতে একেবারে নতুন একটি মুখ। ছবির নাম ‘অগ্নিশপথ’। সেই ছবিতেই নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন দেব। আর তাঁর বিপরীতে নায়িকা হিসেবে ছিলেন তখনকার সুপারস্টার রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলা যায়, রচনাই দেবের কেরিয়ারের প্রথম নায়িকা। ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখা মাত্র যে মানুষটিকে হাত ধরে পথ দেখিয়েছিলেন, আজও তাঁর প্রতি সেই কৃতজ্ঞতা আর সম্মান অটুট রেখেছেন দেব।
তখনকার দেব আর আজকের দেব এই দু’জনের মধ্যে ব্যবধান শুধু সময়ের নয়, অভিজ্ঞতার, প্রতিষ্ঠার, জনপ্রিয়তার। সেই সময় রচনা ছিলেন বাংলা ছবির দাপুটে নায়িকা, আর দেব ছিলেন একেবারে নতুন। রচনার পাশে দাঁড়াতেও নাকি তাঁর বুক ঢিপঢিপ করত। ক্যামেরার সামনে যেমন নার্ভাসনেস, তেমনই বাস্তব জীবনেও ছিল এক ধরনের সংকোচ। কিন্তু সময় বদলেছে। ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন দেব। আজ তিনি শুধু টলিউডের সুপারস্টার নন, রাজনীতির ময়দানেও একজন পরিচিত মুখ, ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ। অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও অভিনয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এখন রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ। হুগলির সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি।
আরও পড়ুন: মিলিয়নে মিলিয়নে ফলোয়ার, ফলোয়িংয়ে মাত্র তিনটি নাম! অরিজিৎ সিং কাদের ফলো করেন জানেন?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us