/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/06/nonsene-2026-02-06-09-54-55.jpg)
যা হল তার সঙ্গে...
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলকাতার জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নন্সেন অর্থাৎ শমীক অধিকারীকে তাঁর বান্ধবীকে বেআইনিভাবে আটকে রাখা, শারীরিক নির্যাতন এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিপুল সংখ্যক অনুগামী রয়েছে।
অভিযোগকারী ২২ বছর বয়সী এক তরুণী। তাঁর দাবি, বন্ধুত্বের সূত্রে গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি অভিযুক্তের বেহালার বাড়িতে যান। সেখানেই রাত ৯টা ৩০ মিনিট থেকে পরের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাঁকে প্রায় ২০ ঘণ্টা জোর করে আটকে রাখা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে তাঁকে মারধর, ঘুষি মারা এবং ভয় দেখানো হয়।
তরুণীর আরও অভিযোগ, অভিযুক্ত তাঁর শ্লীলতাহানি করেছেন। তিনি অনুপযুক্তভাবে স্পর্শ করেন এবং তাঁর পোশাক ধরে টান দেন। কোনও একটি বিষয় নিয়ে দু’জনের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা চলছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই তরুণীর দাবি, এই ঘটনার সময় অভিযুক্ত তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেন।
Swastika Mukherjee: গড়িয়াহাটে নিজেই নাইটি কেনেন, বাড়িতে বাসন মাজেন-স্বস্তিকার অচেনা দিক
বুধবার দক্ষিণ কলকাতার বেহালা থানায় তরুণী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ১২৭(২), ১১৫(২), ৭৪ এবং ৩৫১(২)-এর অধীনে মামলা রুজু করে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
শমীক অধিকারীর ফেসবুকে প্রায় ৩২ হাজার এবং ইনস্টাগ্রামে এক হাজারেরও বেশি অনুসারী রয়েছে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বহু নেটিজেন। তবে এই ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত এখনও পর্যন্ত কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেননি।
Samik Adhikari controversy: বন্ধুত্বের আড়ালে নির্যাতন? ইউটিউবার শমীকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
উল্লেখযোগ্যভাবে, অভিযুক্ত রাজ্য সরকারের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত। অতীতে তিনি পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক ভিডিও ও পোস্টের মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি করেছিলেন। তাঁর গ্রেপ্তারের পর বিষয়টি রাজনৈতিক রং নিতে শুরু করে।
বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্ট করে রাজ্য প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ কার্যত স্বৈরাচারী শাসনে পরিণত হয়েছে, যেখানে সমালোচনার জবাব সংস্কার বা তথ্য দিয়ে নয়, বরং মিথ্যা ও বিদ্বেষপূর্ণ এফআইআর দিয়ে দেওয়া হয়।
মালব্য আরও অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে অস্বস্তিতে ফেলা কণ্ঠস্বরগুলিকে নিয়মিতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, “যিনি বাংলায় মহিলাদের অনিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতেন, তাঁর বিরুদ্ধেই হঠাৎ শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। কবে ঘটনা ঘটেছে, কেন এতদিন অভিযোগ করা হয়নি- এসব প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর নেই।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us