/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/15/sohel-2025-12-15-16-28-56.jpg)
কী বলছেন সোহেল?
সলমন খানের ভাই, অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল খান সম্প্রতি বান্দ্রার রাস্তায়, হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর, শিরোনামে উঠে এসেছেন। ট্র্যাফিক নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। বিষয়টি নিয়ে চুপ না থেকে সোহেল নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এবং ভুল স্বীকার করেন।
সোহেল খান তার পোস্টে হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করে লেখেন, তিনি সকল বাইক আরোহীদের অনুরোধ করছেন, যেন সবাই অবশ্যই হেলমেট পরেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, হেলমেট না পরার জন্য কোনও অজুহাত নেই এবং এটি তাঁর ব্যক্তিগত দুর্বলতা হলেও, তা কখনওই নিয়ম ভাঙার বৈধ কারণ হতে পারে না। সোহেল জানান, ছোটবেলা থেকেই বাইক চালানো তাঁর নেশা। BMX সাইকেল চালানোর মাধ্যমেই এই ভালোবাসার শুরু, যা পরবর্তীতে বাইকের প্রতি গভীর আগ্রহে পরিণত হয়েছে।
Messi-Sunil in Mumbai: মেসি–সুনীল একই মঞ্চে মুম্বইয়ে, কলকাতায় কেন নয়? প্রশ্ন তুললেন রাহুল দেব বসু
হেলমেট না পরার কারণ হিসেবে তিনি জানান, তাঁর ক্লাস্ট্রোফোবিয়ার সমস্যা রয়েছে, যার ফলে হেলমেট পরতে অস্বস্তি হয়। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে, এই সমস্যার জন্য তিনি কোনওভাবেই নিরাপত্তা বিধি, উপেক্ষা করতে পারেন না। সোহেল বলেন, সাধারণত তিনি গভীর রাতে বাইক চালান, যখন রাস্তায় যানজট কম থাকে। সে সময় তিনি খুব ধীর গতিতে বাইক চালান এবং তাঁর নিরাপত্তার জন্য একটি গাড়ি পেছনে অনুসরণ করে। তবুও, তিনি মানেন যে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কখনও পুরোপুরি এড়ানো যায় না।
পোস্টে তিনি আশ্বাস দেন যে, নিজের ক্লাস্ট্রোফোবিয়া কাটিয়ে ওঠার জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবেন এবং ভবিষ্যতে নিয়ম মেনে হেলমেট পরেই বাইক চালাবেন। পাশাপাশি তিনি ট্র্যাফিক কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান এবং জানান, এখন থেকে সমস্ত ট্র্যাফিক নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলবেন। তিনি আরও লেখেন, নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় অস্বস্তি মেনে নিয়েও, যারা নিয়ম মেনে হেলমেট পরেন, তাঁদের তিনি স্যালুট জানান। শেষে তিনি লেখেন, "দুঃখিত হওয়ার চেয়ে নিরাপদ থাকা অনেক ভালো। আমি সত্যিই দুঃখিত।"
Dev-Messi chaos Kolkata: কলকাতার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত? মেসি কাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ দেবের
উল্লেখ্য, ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যায়, হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর সময় এক পথচারী সোহেল খানকে রেকর্ড করার চেষ্টা করেন, যার জেরে দু’জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয় এবং সোহেল সেই ব্যক্তিকে ভিডিও বন্ধ করতে বলেন। এই ঘটনাই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত করে।
কাজের দিক থেকে, সোহেল খানকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০২৫ সালের তেলুগু ছবি ‘অর্জুন: সন অফ বৈজয়ন্তী’-তে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us