/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/18/rudra-2025-11-18-12-58-32.jpg)
আর কী বললেন রুদ্রনীল?
The Academy Of Fine Arts-Rudranil Ghosh: শেষ কিছুদিন টলিউডের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে একটাই প্রসঙ্গ। SRFTI-র ছাত্রদের তৈরি একটা ভীষণ চর্চিত ছবি, যার নাম অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস- সেই ছবি নিয়েই বেজায় চর্চা। সেই ছবিকে পড়তে হয়েছে ফেডারেশনের গ্যাঁড়াকলে। নানা কারণে সেই ছবি রিলিজ করতে দেওয়া হয়নি। যেখানে ফেডারেশনের কারণে নানা বাংলা ছবি সমস্যার শিকার হয়েছে, সেই তালিকায় পরিচালক জয়ব্রতর এই নতুন ছবি রয়েছে আলোচনায়।
গতকাল প্রযোজক প্রতীক চক্রবর্তী সমাজ মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন যে তাঁর অন্য ছবির ক্ষেত্রে কিছু টাকা ডিউ আছে। সেই টাকা তিনি মিটিয়ে দেবেন। ফেডারেশন নাকি সেই বিষয়টিকে ইঙ্গিত করেছেন, এমনটাই খবর। ছবির অন্যতম সদস্য রুদ্রনীল ঘোষের সঙ্গে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা কথা বললে তিনি জানান, ইম্পার তরফ থেকে কোনওদিন কোনও সমস্যা ছিল না। তবে, প্রতীকের যে সমস্যাকে তাঁরা ইঙ্গিত করেছেন, আমার কিছু প্রশ্ন আছে।
Dharmendra Health Updates: এখন কেমন আছেন ধর্মেন্দ্র? হেমার সঙ্গে দেখা করতে গেলেন কে?
কী কী বললেন রুদ্র?
তাঁর কথায়, "ছেলেমেয়েগুলো অরা SRFTI-র ছাত্র। ঘটি বাটি বিক্রি করে অরা সিনেমা বানিয়েছে। এর ওর কাছে হাত পেতেছে। আমরা একটা টাকাও নি নি। শুধু কেউ কেউ গাড়ি ভাড়া নিয়েছে। এবার রইল প্রতীক। ও সাহায্য করেছে। ফেডারেশন দাবি করেছে, বাইরের কেউ যদি সাহায্য করে, তাহলে সেটা নাকি কমার্শিয়াল ছবি হয়ে যায়। এটা কোন যুক্তি? তাঁর মানে ছেলেমেয়েগুলো কারওর হাতে পায়ে ধরতে পারবে না নিজেদের ছবি বানানোর জন্য?"
দ্বিতীয় তিনি বললেন, "প্রতীকের টাকা ডিউ যদি সমস্যা হয়, তাহলে নটী বিনোদিনী কী করে রিলিজ করল? লক্ষীকান্তপুর লোকাল ছবিতে প্রতীক প্রযোজক, সেই ছবি কী করে রিলিজের ডেট পেয়ে গেল? পোস্টার কী করে পড়ল? তাঁর মানে সমস্যাটা অন্য জায়গায়। ফেডারেশন শুরুতেই বলতে পারত তবে, তাহলে তো এক্সট্রা যে প্রোমোশন বা পোস্টারের খরচ, সেটা তো যেত না।"
Zubeen Garg Birthday-Mamata Banerjee: জুবিনের স্মৃতিতে আবেগঘন দিন, মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিশেষ পোস্ট
অভিনেতা এখানেইথামলেন না। সোজাসুজি বাংলা ছবি হ্যাটা হওয়ার নেপথ্যে যে জারিজুরি চলছে, তাকেও ইঙ্গিত করলেন তিনি। রুদ্রর কথায়, "যেখানে সেন্সর সার্টিফিকেট এসে গিয়েছে, যারা দেখানোর দায়িত্বে আছেন মানে সিনেমা হল, তাঁরা টাকা নিয়েও যে সিনেমার অগ্রীম বুকিং করলেন না, এটা কিন্তু বিপদের। এই অন্ধকারে বাংলা সিনেমাকে যারা ঠেলে দিচ্ছে, তাঁদের চেনা সকলের দরকার। খুব হতাশার এই বিষয়টা। কাদের প্ররোচনায় হল এটা, সেটাই ভাবার।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us