/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/19/feroze-2025-11-19-09-32-56.png)
চেনেন এই অভিনেতাকে?
সুপর্ণ ভার্মা- দ্য ফ্যামিলি ম্যান, এক খিলাড়ি এক হাসিনা, অ্যাসিড ফ্যাক্টরি-র মতো কাজের পরিচিত মুখ এবং সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত হক-এর পরিচালক- সম্প্রতি তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলি তুলে ধরলেন। তিনি জানালেন কীভাবে হনসল মেহতা তাঁর প্রথম সিনেমার পথ খুলে দেন, কীভাবে মনোজ বাজপেয়ী তাঁর কর্মজীবনের বাঁক বদলে দেন এবং কীভাবে কিংবদন্তি ফিরোজ খানের সঙ্গে তাঁর অবিচ্ছেদ্য বন্ধন তৈরি হয়েছিল।
সুপর্ণ বলেন, সাংবাদিক হিসেবে কাজ করার সময় মনোজ বাজপেয়ীর, একটি অনলাইন চ্যাটের সূত্র ধরেই প্রথম হনসল মেহতার সাথে তাঁর পরিচয়। মনোজ নিজেই তাঁকে হানসলের বাড়িতে চ্যাট সেশন হোস্ট করতে পাঠান। সেই আলাপচারিতা ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলার পর হনসল তাঁকে জিজ্ঞেস করেন- তিনি কি তাঁর জন্য স্ক্রিপ্ট লিখবেন? সেইভাবেই শুরু হয় তাঁদের সহযোগিতা। যদিও অভয় দেওলের ডেবিউ নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি, পরে একজন প্রযোজকের আগ্রহে তাঁরা চাল বানানোর সিদ্ধান্ত নেন। মাত্র ১৫ দিনেই সুপর্ণ স্ক্রিপ্ট লিখে ফেলেন, আর সেখান থেকেই তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রজীবন শুরু।
আদিত্য ধরের মূল্যবোধেই মুগ্ধ ইয়ামি গৌতম, জানেন 'ধুরন্ধর' পরিচালকের প্রেমের গল্প?
এরপর সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে তিনি পরিচিত হন রাম গোপাল ভার্মার সঙ্গে। আট মাসের সম্পর্কেই তিনি আরজিভির জন্য একাধিক গল্প লেখেন। সুপর্ণের ভাষায়, “আরজিভিই আমার ফিল্ম স্কুল। তিনি শেখান না, শেখার সুযোগ করে দেন।”
এই সূত্র ধরেই তিনি পৌঁছান ফিরোজ খানের কাছে, যিনি সেই সময় ফারদিন খানের পরবর্তী ছবির জন্য লেখক খুঁজছিলেন। সরাসরি কিছু না বললেও ফিরোজ খান তাঁর প্রতি যে উষ্ণতা দেখিয়েছিলেন, তাতেই ধীরে ধীরে সুপর্ণ কাজটির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। প্রতি রবিবার নিজের হাতে আফগানি মুরগি রান্না করে খাওয়ানো থেকে শুরু করে ছবির বিষয়ে গভীর আলাপ- সব মিলিয়ে তিনি সুপর্ণকে নিজের পরিবারেরই একজন বানিয়ে নেন। শেষ পর্যন্ত একটি চেক এগিয়ে দিয়ে বলেন, “তুমি তো আমার ছবি লিখছই- এই নাও।”
স্টান্ট-ই হল কাল, জেদের বশেই মৃত্যু হয় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা অভিনেতার..
'জনশীন'–এর সময় ফারদিনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়। সুপর্ণ বলেন, "ফিরোজ খান ছিলেন সত্যিকারের ভদ্রলোক- উত্সাহী, অনুশোচনাহীন, এবং অবিশ্বাস্যভাবে আকর্ষণীয়। তাঁকে একবার দেখলে ভোলা যায় না। তিনি যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারতেন, ১৮ থেকে ৮০- সব বয়সের মহিলারা তার দ্বারা মুগ্ধ হত কারণ তিনি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন সকলের প্রতি।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)

Follow Us